স্বাস্থ্যসাথীর ছবির লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত একাধিক

172

রায়গঞ্জ: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে যায়। ঘটনায় দুই পক্ষের প্রায় চারজন আহত হন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও এদিনের ঘটনায় আব্দুল খালেক নামে এক গ্রামবাসী জখম হন। লাঠির আঘাতে তাঁর কপাল ফাটা যাওয়ার পাশাপাশি একাধিক শরীরের একাধিক জায়গায় চোট লাগে তাঁর। বর্তমানে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরঘই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রায়গঞ্জ ব্লকের ১১ নম্বর বিরঘই গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয় চত্বরে এদিন দুপুরে চেরামাটির গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে বাজিতপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয় লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে। যা একসময় সংঘর্ষের রূপ নেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই পক্ষকে সরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও এই ঘটনায় এখনও অবধি কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।

- Advertisement -

চিকিৎসাধীন আব্দুল খালেক জানান, এদিন পঞ্চায়েত দপ্তরে ছবি তোলার জন্য যখন লাইন ঠিক করে সবাইকে দাঁড়াতে বলছিলাম ঠিক সেসময় আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমাকে মারধোর করে। আমরা কাউকে মারধোর করিনি। পঞ্চায়েত দপ্তরে যেহেতু এই ঘটনা ঘটেছে তাই এর দায়িত্ব পঞ্চায়েত কতৃপক্ষকে নিতে হবে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে হবে।

আহত আব্দুল খালেকের মা খাইরুল নেশা জানান, আমার ছেলেকে ওরা বেধড়ক মারধোর করেছে। ও লাইন ঠিক করতে বলেছিল বলেই মারধোর করে ওকে। যদিও সেলিম নামে এক গ্রামবাসী জানান, আব্দুল খালেক লাইনে পাঁচ নম্বরে দাঁড়িয়ে একের পর এক বাইরের লোক ঢোকাচ্ছিল। আমরা প্রতিবাদ করি। কোনো মারধোর করা হয়নি। ধস্তাধস্তিতে পড়ে গিয়ে মাথা ফেটে যায়। আমাদের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

বিরঘই গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নীলেশ্বর বর্মণ বলেন, ‘স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ছবি তোলার জন্য লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তি হয়েছে শুনেছি। তবে গ্রাম পঞ্চায়েতের কার্যালয়ের পাশে থাকা দুর্গা মন্দিরের মাঠে হয়েছে, দপ্তরে হয়নি। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’