মাটির পুতুল বাজার করেছে বিহারে, ব্যস্ততা তুঙ্গে কুমোরটুলির শিল্পীদের

113

রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জের কুমোরটুলিতে হাতেগোনা কয়েকজন শিল্পী সারাবছর শুধু মাটির পুতুল তৈরি করেন। সেই পুতুল যায় বিহারের প্রত্যন্ত এলাকায়। তাই দুর্গাপ্রতিমা গড়া শেষ হতে না হতেই শিল্পীরা অষ্টমী ও দশমীর মেলার জন্য পুতুল তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আম, টিয়া, রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ, বর-বউ এবং মাটির ঘট তৈরি হচ্ছে দিনরাত। শিল্পীদের কথায়, চাহিদা অনেক কমেছে। শৌখিন পুতুলের সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানছে মাটির পুতুল। মেলা, হাটের রমরমা কমেছে। তাই মাটির পুতুলের চাহিদা প্রায় নেই বললেই চলে। শুধু পুতুল নয়, মাটির তৈরি অন্য জিনিসপত্রের চাহিদাও কমেছে। স্থানীয় মেলা ও হাটগুলিতে কৃষ্ণনগরের পুতুল বাজার করে নেওয়ায় আমাদের তৈরি পুতুল পাঠাতে হয় বিহার। এখানকার তৈরি পুতুলের চাহিদা সেখানে যথেষ্ট।

নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়ে কেউই মাটির কাজ করতে ইচ্ছুক নন। তবে মন্দিরা, মামন, বিশ্বজিৎরা এই পেশা এখনও ধরে রেখেছে। মামনি পাল জানান, তারা এখনও পুতুল তৈরি করেন। তবে খুবই কম। সামনে অষ্টমী ও দশমীর মেলা তাই এখন কাজের চাপ যথেষ্ট। যদিও অধিকাংশ পুতুল চলে যাবে বিহারে। এদিকে এখানকার পুতুলের চাহিদা সেভাবে নেই। শিল্পী বিশ্বজিৎ পাল জানান, পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে পুতুল তৈরি করছেন। আগামীদিনে হবে কি না জানি না।

- Advertisement -