কৃষক তাণ্ডবে রণক্ষেত্র রাজধানী, বন্ধ ইন্টারনেট-মেট্রো পরিষেবা

158
ছবিটি সংগৃহীত

নয়াদিল্লি: প্রজাতন্ত্র দিবসের সকাল থেকেই প্রতিবাদী কৃষকরা দাপিয়ে বেড়ালেন দিল্লির রাজপথে। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই অর্থাৎ সকাল ৮টা নাগাদ সিংঘু সীমান্তে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে লাল কেল্লার দখল নেন আন্দোলনরত কৃষকেরা। অন্যদিকে তাণ্ডব চলল ট্র্যাক্টর নিয়ে। অবাধে ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি, বাস। পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের তরফে চলেছে জলকামান, ফাটানো হয়েছে কাঁদানে গ্যাসের শেলও। অন্যদিকে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে রাজধানীর পাঁচ জায়গার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ২৫টির বেশি মেট্রো স্টেশন।

এদিন সকাল থেকেই রণংদেহী রূপে লালকেল্লা মুখী হয় কৃষকেরা। একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে ইন্ডিয়া গেট এবং লালকেল্লার দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বহু কৃষক। কড়া নিরাপত্তা সত্ত্বেও গেট ভেঙে লালকেল্লার ভিতরে ঢুকে পড়েছেন আন্দোলনরত কৃষকরা। লালকেল্লার গম্বুজের উপর কৃষক সংগঠনের পতাকা উড়িয়ে দেওয়া হয়। এদিকে, রাজধানীর বুকে তাণ্ডব চলাকালীন মধ্য দিল্লির আইটিওতে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ায় আন্দোলনরত কৃষকেরা। সেসময় মিন্টো রোডের কাছে ট্র্যাক্টর উলটে মৃত্যু হয় এক কৃষকের। মৃত কৃষকের দেহ আগলে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। জাতীয় পতাকায় জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মৃত কৃষকের দেহে। এরপর পরিস্থিতি আরও অশান্ত হয়ে উঠতে শুরু করে। বাঁধ ভাঙা গতিতে ছুটতে শুরু করেন আন্দোলনরত কৃষকেরা। অভিযোগ, ট্র্যাক্টর নিয়ে পুলিশের পিছনে ধাওয়া করা হয়। ঘটনায় একাধিক পুলিশকর্মী আহত হন।

- Advertisement -

সামগ্রিক ঘটনার প্রেক্ষিতে, পরিস্থিতি সামাল দিতে আপাতত এনসিআর এলাকা সহ  সিংঘু, গাজিপুর, তিরকি অঞ্চলে রাত ১২টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ।  একইসঙ্গে জামা মসজিদ, গ্রিন লাইন সহ ২৫টির বেশি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এদিন।