বিধিনিষেধের পরেও সচল শিল্পাঞ্চলের কয়লা ও ইস্পাত কারখানা

70

আসানসোল: আসানসোলে শিল্পাঞ্চলের শিল্প ক্ষেত্রে কার্যত লকডাউনের প্রথম দিনের ছবিটা ছিল অন্যরকম। রবিবার কয়লা ও ইস্পাত শিল্প রইল সচল। জুট শিল্পে ৩০ শতাংশ ও  চা শিল্পে ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করার কথা রাজ্য সরকারের তরফে বলা হয়েছে। সেখানে ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়েই কাজ হল বার্নপুর ইস্পাত কারখানা ও ইসিএলের কয়লাখনিগুলিতে। কার্যত লকডাউন ঘোষণা করা হলেও কোনরকম সার্কুলার এসে পৌঁছায়নি বার্নপুর ইস্কো কারখানায়। সেই কারণে অন্যদিনের মতো স্বাভাবিক কাজকর্ম হল ইস্পাত শিল্পে। তবে, তা হয়েছে কোভিড বিধি ও সতর্কতা মেনে।

কারখানা সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে কারখানায় কর্মীদেরকে নিয়ে শিফটিংয়ে কাজ করানো হবে। বেশ কিছু বিভাগকে দফায় দফায় খোলা রেখে কাজ করা হবে। ফলে ভিড় অনেকটাই এড়ানো যাবে। অন্যদিকে, ইসিএলের ১৩৪টি খনি রয়েছে। কয়লা হল জরুরি পরিষেবা। কয়লা উৎপাদন না হলে বিদ্যুতে ঘাটতি দেখা দেবে রাজ্যজুড়ে। চালু থাকা কারখানার মালিকদের তরফে জানানো হয়েছে, কারখানা পুরোপুরি বন্ধ করতে গেলে অনেক সমস্যা আছে। তাই কর্মী সংখ্যা কমিয়ে বিধিনিষেধ মেনে কারখানা চালু রয়েছে।

- Advertisement -

ইসিএলের সিএমডির কারিগরি সচিব নিলাদ্রী রায় বলেন, ‘গতবারের লকডাউনের মতোই ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ হবে ইসিএলে। ইসিএলের কয়লাখনিতে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও ঝাড়খণ্ড থেকে কর্মীরা নিত্যদিন যাতায়াত করেন। তাদের যাতায়াতে যেন কোনও সমস্যা না হয় তার জন্য পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসকের কাছে বিশেষ অনুমতি চাওয়া হবে। তবে, কার্যত লকডাউন ঘোষণা করার পরে চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানার ইঞ্জিন উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে ৩০ মে পর্যন্ত।‘

তবে কিছুটা হলেও এদিন অন্য ছবি দেখা গেল সালানপুর ও কুলটি এলাকায়। এই দুই জায়গায়  বিভিন্ন বেসরকারি ছোট ও মাঝারি  স্টিল প্লান্ট গুলি খোলা ছিল। সেখানকার মালিকদের দাবি, এইসব কারখানা একবার বন্ধ করা হলে, নতুন করে চালু করতে সপ্তাহ খানেক লেগে যাবে। জেলা প্রশাসনকে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।