রায়গঞ্জ মেডিকেলে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃতদেহ রেখে পালাল সহকর্মীরা

ফাইল ছবি

রায়গঞ্জ: এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃতদেহ রেখে পালিয়ে গেলেন তাঁর সহকর্মী নির্মাণ শ্রমিকরা।

বাংলাদেশের বাসিন্দা ওই শ্রমিক রাজস্থানে কাজ করতেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গ চত্বরে।

- Advertisement -

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওই মৃতদেহ মর্গের ডিপ ফ্রিজে রাখা হয়েছে। রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজের নোডাল অফিসার বিপ্লব হালদার বলেন, মৃত ব্যক্তির বাড়ি বাংলাদেশের কক্সবাজারে। হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে ওই মৃতদেহ।

মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের ওই ব্যক্তি একটি আন্তর্জাতিক নির্মাণ সংস্থার অধীনে রাজস্থানের দৌসায় কর্মরত ছিল। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ওই নির্মাণ শ্রমিকের। রাজস্থানের যোধপুর মেডিকেল কলেজে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল।

রাজস্থান থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে বাংলাদেশ নিয়ে যাওয়ার পথে এদিন কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ ওই মৃতদেহ আটক করে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসে। মৃতদেহের সঙ্গে ছিলেন তিনজন নির্মাণ শ্রমিক।

তাঁদের মধ্যে শফিক মহাম্মদ বলেন, মৃতদেহ বাংলাদেশের কক্সবাজারে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুই দেশের হাইকমিশনের সঙ্গে কথা বলার পরেই সেই মৃতদেহ পাঠানো হবে জানায় জেলা প্রশাসন। এরপর আমরা রাজস্থানের উদ্দেশ্যে রওনা দিই।

তিনি আরও জানান, মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া বা সীমান্ত পার করার মতন টাকা আমাদের কাছে নেই। নির্মাণ সংস্থার তরফ থেকে ৮০ হাজার টাকা দিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করে দিয়েছিল।

তবে মৃতের নাম ও বয়স বলতে নারাজ মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। তাঁদের সাফ জবাব, এই মৃতদেহের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিশ মর্গে মৃতদেহ রেখে গিয়েছে।

রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ প্রিয়ঙ্কর রায় বলেন, হাসপাতাল মর্গে মৃতদেহ রাখা রয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।