কলেজ স্যানিটাইজেশন হয়নি একবছরেও, পুনরায় সেফ হোমের পরিকল্পনা প্রশাসনের

127

সোনাপুর: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আবার মাথা চাড়া দিচ্ছে। ফলত আবার প্রথমবারের মতো অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রশাসন। বাড়ানো হচ্ছে করোনা টেস্ট, প্রতি ব্লকেই সেফ হোম খোলার ভাবনাও শুরু করেছে প্রশাসন। আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকে গতবছর যে সেফ হোম খোলা হয়েছিল সেটা আজও স্যানেটাইজেশন করা হয়নি বলে অভিযোগ। জেলাজুড়ে করোনার বাড়বাড়ন্তে একই জায়গাতেই আবার সেফ হোম খোলার পরিকল্পনা নিচ্ছে প্রশাসন।

আলিপুরদুয়ার -১ ব্লকের তোর্ষা নদীর পাশে ঘাটপারে রয়েছে পিটিটিআই কলেজ। করোনা আবহে গত বছর ওই শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে তৈরি হয়েছিল কোয়ারান্টিন সেন্টার। শিক্ষা দপ্তরের আওতাধীন ভবন গতবছর এপ্রিল মাসে জেলা প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য দপ্তর নিজেদের দায়িত্বে তৈরি করেছিল কোয়ারান্টিন সেন্টার। পরবর্তীতে সেখানেই আবার তৈরি হয় ব্লকের সেফ হোম। করোনা প্রকোপ কিছুটা কমার পর বছরের শেষে ওই ভবন আবার কলেজ কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করে দেওয়া হয়। তবে, সেসময় স্যানিটাইজেশন করা ছাড়াই কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে ফিরিয়ে দেয় প্রশাসন। প্রায় ৪ মাস হয়ে গেলেও ভবন স্যানিটাইজেশন করা হয়নি এবং করোনা আক্রান্ত রোগীদের ব্যবহার করা বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং আবর্জনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যত্রতত্র ছড়িয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ।

- Advertisement -

স্থানীয় বাসিন্দা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘এতদিন ধরে কলেজের ভিতরে বিভিন্ন জায়গায় করোনা রোগীদের ব্যবহার করা জিনিস পড়ে আছে। পুরো জায়গা স্যানিটাইজেশন করাও হয়নি। আবার শোনা যাচ্ছে সেফ হোম তৈরি হবে।‘

এবিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত সাহা বলেন, ‘ক্যাম্পাসের ভিতরের কক্ষগুলো স্যানিটাইজেশন করার জন্য প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। সেটা করা হয়নি। আবার হয়তো এই জায়গাতেই সেফ হোম তৈরি করা হবে। গতবার কি কি ক্ষতি হয়েছে সেগুলো দেখার জন্য আধিকারিকরা আসেবন বলে জানিয়েছেন।‘

আলিপুরদুয়ার -১ ব্লকের বিডিও শ্রেয়সী ঘোষ বলেন, ‘ওই ভবনটি স্যানিটাইজ করা হবে এবং ওখানেই ব্লকের সেফ হোম তৈরি হবে।‘