ট্রাক্টর ও মালবাহী গাড়ির সংঘর্ষ, মৃত ৩

195

বর্ধমান: ট্রাক্টরে চড়ে বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার পথে মালবাহী গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক নাবালক ও নাবালিকা সহ ৩ জনের। জখম হয়েছে আরও ৪ শিশু সহ ১১ জন বিয়েবাড়ির যাত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের দেবীপুর-কালনা রোডে মেমারি থানার পলতা গ্রামের কাছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম রুপালি বাস্কে(৪২), লক্ষি মাণ্ডি(১৫) ও রাজদীপ বাস্কে(৭)। মৃত ও জখম ব্যক্তিরা সকলেই হুগলীর পাণ্ডুয়া থানার পয়রা চাঁদাইপাড়ার বাসিন্দা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জখমদের উদ্ধার করে বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ৩টি মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর পাশাপাশি পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পাণ্ডুয়ার পায়রা চাঁদাইপাড়ার আদিবাসী পরিবারের সদস্যরা বুধবার রাতে মেমারির থানার বুলবুলিতলা সংলগ্ন এলাকায় বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিল। এদিন সকালে তাঁরা সকলে ট্রাক্টরে চড়ে পাণ্ডুয়া ফিরছিলেন। পথে মেমারির পলতা গ্রামের কাছে বিপরিত দিক থেকে আসা নিয়ন্ত্রণহীন একটি মালবাহী গাড়ির সঙ্গে ট্রাক্টরটির সংঘর্ঘ হয়। সংঘর্ষের পরই যাত্রী সমেত ট্রাক্টরের ট্রলিটি সড়কপথে উলটে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান রুপালি বাস্কে। ঘটনার জেরে দেবীপুর-কালনা রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।

- Advertisement -

মেমারি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। জখম অবস্থায় সড়কপথে পড়ে থাকা বিয়ে বাড়ির ১৩ জন যাত্রীকে পুলিশ উদ্ধার করে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের সবাইকে পাঠানো হয় বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় জখম এক নাবালক ও নাবালিকার। দুর্ঘটনাগ্রস্ত দুটি গাড়ি পুলিশ সড়ক পথ থেকে সরিয়ে নেবার পর দেবীপুর কালনা রোডে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মালবাহী গাড়ির চালক গাড়ি চলাতে চালাতে ঘুমিয়ে পড়াতেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তদন্তে নেমে পুলিশ মালবাহী গড়ির চালককে আটক করেছে। পাশাপাশি, ট্রাক্টর ও মালবাহী গাড়িটিও পুলিশ আটক করেছে।