করোনাকালে পুজো সামলাতে নাজেহাল উদ্যোক্তারা

425

তুফানগঞ্জ: করোনা আবহে পুজো কমিটি গুলির নাজেহাল অবস্থা। কীভাবে পুজো হবে, কীভাবে প্রসাদ বিতরণ হবে, দর্শকরা কীভাবে প্রতিমা দর্শন করবে তা নিয়ে ভাবনার শেষ নেই। এরই মাঝে প্রসাদ বিতরণ নিয়ে অভিনব পথ বেছে নিল নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের চামটা সুপার ষ্টার ক্লাব।

আজ শুভ মহাঅষ্টমী। রাজ্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তুফানগঞ্জের প্রতিটি ক্লাবে বা সংগঠনের তরফে প্রসাদ বিতরণ করা হচ্ছে। ক্লাবগুলি মূলত খিচুড়ি প্রসাদকে প্রধান্য দিলেও চামটা সুপার ষ্টার খুঁজে নিয়েছে অন্যপথ। করোনা আবহে জনসমাগম রুখতেই এই পথ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এলাকার দুঃস্থদের নতুন বস্ত্রও বিতরণ করা হয়।

- Advertisement -

জানা গিয়েছে, অষ্টমীতে সকাল থেকেই পুজোর আয়োজন হয়। পুজো চলে ১১ টা পর্যন্ত। এরপর অঞ্জলি শুরু হয়। ভিড় এড়াতে ১০ জন করে অঞ্জলি দেওয়ার ব্যাবস্থা করা হয়। অঞ্জলি শেষ হয় প্রায় আড়াইটা নাগাদ। এরপরেই শুরু হয় প্রসাদ বিতরণ। প্রসাদ বিতরণে অন্যান্য ক্লাবের মত খিচুড়ির ব্যাবস্থা করেনি এই ক্লাব। প্রত্যেকের জন্য ফল ও বাতাসা প্যাকেট করা হয়। এরপর সেই প্যাকেট তুলে দেওয়া হয় স্থানীয় প্রাতিটি বাড়িতে। এই অভিনব পথে প্রসাদ বিতরণ হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা বিষ্ণু বর্মন, কৌশিক বর্মা, রমেশ শীল জানান, ক্লাবের এই উদ্যোগে আমরা বেশ খুশি। এই পথে ক্লাবে প্রসাদ বিতরণ করাকে কেন্দ্র করে যে ভিড় হয় তা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। করোনা রুখতে এই পথ যথেষ্ট কার্যকারী।

ক্লাবের সভাপতি নরেশ বর্মা, সম্পাদক মলয় বর্মণ, পুজো উদ্যোক্তা সৌমেন ঘোষ জানান, করোনাকালে দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু বিধিনিষেধ রয়েছেই। সেই সব মেনে পুজোর সমস্ত কাজ করা হচ্ছে। প্রতিবারই অষ্টমীর প্রসাদ নিতে স্থানীয়দের সহ বহিরাগতদের সমাগম হয়। এবার সেই কথা মাথায় রেখে প্যাকেটের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। প্যাকেটের মাধ্যমে প্রসাদ বিতরণ হওয়ায় এবার ভিড় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।