মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তার ব্যানার ছেড়ার অভিযোগ

422

তুফানগঞ্জ: মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছায় লাগানো ব্যানার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নাককাটিগাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের বলরামপুর চৌপথী এলাকায়। এই ঘটনায় নাম না করেই বিজেপির দিকে আঙ্গুল তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস তুফানগঞ্জ ১ ব্লক (বি) এর সভাপতি প্রদীপ বসাক। অন্যদিকে দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা দেওয়ার ব্যানার ছেড়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় তুফানগঞ্জ পুলিশ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী বলরামপুর চৌপথী এলাকায় পুলিশের কড়া পাহারা রয়েছে।

জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগেই নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের বলরামপুর চৌপথী বাজার এলাকার বিজেপি কার্যালয়ে লাগানো হয় মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তার ব্যানার। যদিও সেই স্থানকে বিজেপির কার্যালয় মানতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। সেই ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে তুলকালাম পরিস্থিতি হয় বলরামপুর বাজার এলাকায়। এরপর তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এলাকায় পূজা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাজনিত কারণে রাতে সিভিক ভলেন্টিয়ারের পাহারা বসানো হয় এলাকায়।

- Advertisement -

কয়েকদিন থেকে এই এলাকায় ছিল সিভক পাহারা। শুক্রবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। যদিও এই ঘটনা অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, আমাদের কার্যালয়ে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা লাগানোর পরেই আমরা তা রক্ষনাবেক্ষনের দাবী জানাই। এই বিষয়ে তুফানগঞ্জ থানায় লিখিত জানানো হয়েছিল। এরপর রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা নেই। তবে বিজেপির কোন কর্মী এই ঘটনায় জরিত নেই।

আর এখানেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের তুফানগঞ্জ ১ ব্লক (বি) এর সভাপতি প্রদীপ বসাক। সরকারী জায়গাতে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা লাগিয়েছে সরকার। কোন দলের কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা বার্তা লাগানো হয়নি। এতে কারো মাথাব্যথা হওয়ার কিছু দেখছি না। তিনি আরো জানান রাতে এই এলাকায় সিভিক ভলেন্টিয়াররা পাহাড়ায় থাকেন। এরপরেও কিভাবে ঐদিনের দুষ্কৃতিরা এই কাজ করল। আমরা বিষয়টি নিয়ে তুফানগঞ্জ থানা ও বিডিও এর ওপর চাপ সৃষ্টি করব। যাতে দুষ্কৃতিদের জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তার করার ব্যাবস্থা করা হয়।

এই বিষয়ে বিজেপির ২৯/৩০ মন্ডল সভাপতি প্রকাশ মন্ডল জানান, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তবে আমাদের কর্মী এই ঘটনায় জরিত নেই।