বনগাঁ, ৩১ মেঃ নেপালে কাজ দেওয়ার নাম করে এক যুবতিকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত যুবক বাগদা বাজিৎপুরের বিজয়নগর এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার তাকে বাগদা থানার সিদ্রানী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে বাগদা থানার পুলিশ।

জানা গিয়েছে, এক পরিচিত যুবকের মাধ্যমে অভিযুক্তের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই যুবতির। অভিযুক্ত নিজেকে ডাক্তার বলে পরিচয় দেয়। পাশাপাশি সে ওই যুবতিকে ভারত-নেপাল সীমান্তে তার ডাক্তারি চেম্বারে কাজের প্রস্তাব দেয়। পিতৃহীন দরিদ্র পরিবারের যুবতি, উপার্জনের আশায় তার সঙ্গে যেতে রাজি হয়। তাঁকে নেপাল সীমান্ত লাগোয়া আলিগড়বায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অভিযুক্তের কোনো চেম্বার ছিল না। সেখানে তাঁকে একটি ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হত। প্রতিবাদ করলে চলত বেধড়ক মারধর। সেখানে বেশ কিছুদিন থাকার পর যুবতিটিকে নিয়ে অভিযুক্ত নেপালের হাড়িয়া এলাকায় চলে যায়। সেখানে অভিযুক্ত ও তার বন্ধুরা মিলে তাঁকে গনধর্ষণ করে ও মোবাইলে ভিডিয়ো করে রাখে বলে অভিযোগ। চলতি বছরের ১৯ মার্চ যুবতিটি সেখান থেকে পালিয়ে আসার পর অভিযুক্ত তাঁকে ফোনে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ও ফিরে যেতে বলে। ভয়ে মেয়েটি থানায় যেতে না পেরে রেজিস্ট্রি পোস্টের মাধ্যমে বনগাঁর এসডিপিও-র আছে অভিযোগ জানায়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল সিদ্রানী এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বাগদা থানার পুলিশ। শুক্রবার তাকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে।