কংগ্রেসের ইস্তাহারে শিক্ষা ও আইনের শাসনে গুরুত্ব

60

কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষ্যে সোমবার ইস্তাহার প্রকাশ করল কংগ্রেস। বিধানভবন থেকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী নির্বাচনি ইস্তাহার প্রকাশ করে বলেন, আমাদের স্লোগান হচ্ছে হাত বাড়ানো, বাংলা বাঁচানো। এবার ফুল নয়, আর কোনও ভুল নয়। একই বৃন্তে দুটি ফুল বিজেপি আর তৃণমূল। এরপর অধীরবাবু বলেন, যাঁরা পরিবর্তন চাইছেন, তাঁদের বলছি সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীদের ভোট দিন। আমরাই ভবিষ্যৎ। ইস্তাহারে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়কে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর ছবি ও বাণী ব্যবহার করা হয়েছে।

ইস্তাহার প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, আমরা ৮টি বিষয়ে ওপর গুরুত্ব দিয়ে ইস্তাহার করেছি। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য, আইনের শাসনের অঙ্গীকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নয়নের অঙ্গীকার, শিল্প সংস্কৃতি রক্ষার অঙ্গীকার। সামাজিক সুরক্ষার অঙ্গীকার। কৃষক উন্নয়নের অঙ্গীকার। জল ও পরিষেবার অঙ্গীকার।

- Advertisement -

তৃণমূলের খয়রাতির রাজনীতিকে কটাক্ষ করে অধীরবাবু বলেন, আমাদের সরকারের লক্ষ কখনও দান খয়রাতি হবে না। তাঁর সংযোজন, ইনসেনটিভের রাজনীতি কংগ্রেস করে না। পাইয়ে দেওয়ার চেয়ে মানুষের স্থায়ী উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য। তাই বলে সামাজিক সুরক্ষা থাকবে না তাও হয় না।

এদিকে এদিন নওদা, জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, মালদা আসনে প্রার্থী নিয়ে কংগ্রেস কর্মীরা দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান। এই প্রসঙ্গে অধীরবাবুর যুক্তি, প্রার্থী ঘোষণার পর বিক্ষোভ হয়নি এই ইতিহাস কংগ্রেস পার্টির নেই। ক্ষোভ হওয়াটাই স্বাভাবিক। যাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরাও দলের কর্মী। আমাদের মাত্র ৯১টি আসন। আরও একটি বাড়তে পারে। তাই সব জায়গায় সবাইকে প্রার্থী করা যায়নি। তবে ২০১৬ সালে আমি যখন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি ছিলাম, তখন কংগ্রেসের টিকিট পাওয়ার জন্য আজকের মতো চাহিদা ছিল না। এসব দেখে মনে হচ্ছে কংগ্রেসের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা বাড়ছে। তাই প্রার্থী হওয়ার চাহিদাও তুঙ্গে।