সুশীলকে ফাঁসানো হচ্ছে, অভিযোগ আইনজীবীর

নয়াদিল্লি : কুস্তিগির সাগর ধনখড় খুনের ঘটনায় সুশীল কুমারকে ফাঁসানোর অভিযোগ তুললেন তাঁর আইনজীবী বিএস জাখর। দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগও করছেন তিনি। অন্যদিকে, এই মামলায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তারা প্রতেক্যেই সুশীলের ঘনিষ্ঠ।

রবিবার রোহিনীর আদালতে সওয়াল করেও সুশীলের পুলিশ হেপাজতে যাওয়া আটকাতে পারেননি। যদিও এক সাক্ষাৎকারে জাখরের দাবি, খুনের ঘটনায় জোর করে সুশীলকে জড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, এই ঘটনায় কোথাও সুশীলের জড়িত হওয়ার প্রমাণ নেই। মৃত যুবক বা তাঁর অন্য বন্ধু, যাদের মারধর করা হয়েছে তারা কেউই নিজেদের জবানবন্দীতে সুশীলের নাম নেয়নি। পাশাপাশি বলা হচ্ছে সুশীল ওই যুবকদের অপহরণ করেছে। কিন্তু কোনও সিসিটিভি ফুটেজে তেমন কিছু দেখা যায়নি। পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে জাখর বলেন, সুশীলের বিরুদ্ধে পরপর জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিস জারি করা হয়। এমনকি ওর নামে আর্থিক পুরষ্কারও ঘোষণা করে পুলিশ। অথচ দিল্লির বড় বড় দুষ্কৃতীর ক্ষেত্রে এমন কোনও পদক্ষেপ করা হয় না। যদিও সুশীলের বিরুদ্ধে কেন ষড়যন্ত্র করা হবে বা তিনি কেন এতদিন গাঁ ঢাকা দিয়ে ছিলেন, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দেননি জাখর।

- Advertisement -

অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাতে ধৃতরা হলেন ভপিন্দর, মোহিত, গুলাব এবং মনজিৎ। তারা হরিয়ানার ঝাঝর এবং রোহতকের বাসিন্দা। কুখ্যাত কালা আসাউদা-নীরজ বায়ানা গ্যাংয়ে এই চার সদস্যের বিরুদ্ধেই একাধিক মামলা রয়েছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে অভিয়ান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, ৪ মে রাতে সাগর ও তাঁর দুই বন্ধুকে মারধরের ঘটনায় এই চারজন সরাসরি জড়িত। ওইদিন রাত ১২টা নাগাদ দুটি গাড়িতে তারা ছত্রশাল স্টেডিয়ামে যায়। সেখানে সাগরদের মারধর করার সময় সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে পুলিশ হাজির হয়। পুলিশের সাইরেন শুনে তারা গাড়ি ফেলেই ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়।