চেন্নাইয়ে মৃত শ্রমিকের দেহ পৌঁছাল পলাশবাড়িতে, করোনা প্রোটোকল মেনেই দেহ সৎকার

736

পলাশবাড়ি: পরিযায়ী শ্রমিকের মৃতদেহ পৌঁছাল আলিপুরদুয়ার জেলার পলাশবাড়ির যোগেন্দ্রনগর গ্রামে। মঙ্গলবার রাতে চেন্নাই থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মৃতদেহ এলাকায় পৌঁছায়।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রাহুল বর্মন। বয়স ১৭ বছর। ওই নাবালক কীভাবে চেন্নাইয়ে নির্মাণ কাজ করতে গিয়েছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সূত্রের খবর, যোগেন্দ্রনগর গ্রামের আরও কয়েকজন বাসিন্দা ওই নাবালকের সঙ্গে এক কোম্পানির হয়ে চেন্নাইয়ে নির্মাণ কাজ করতেন।

- Advertisement -

গত শনিবার নির্মীয়মাণ কোনও বিল্ডিং থেকে পড়ে মৃত্যু হয় রাহুলের। সেখানকার ওখানকার হাসপাতালে মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়। তারপর সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ওই মৃতদেহ আলিপুরদুয়ারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যোগেন্দ্রনগরের দু’জন শ্রমিকও অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে আসেন।

এই খবর পেয়ে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখে স্বাস্থ্য দপ্তর ও সোনাপুর ফাঁড়ির পুলিশ। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা প্রোটোকল মেনে ওই মৃতদেহ সৎকারের জন্য চারটি পিপিই কিট দেওয়া হয়। এদিন রাত ন’টা নাগাদ এলাকায় দেহ পৌঁছোতেই কম লোক দিয়ে স্থানীয় একটি শ্মশানে সৎকার সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে মৃতদেহের সঙ্গে এলাকার যে দু’জন ফিরেছেন তাঁদেরকে কোয়ারান্টিন সেন্টারে পাঠানোর দাবি তোলেন এলাকার মানুষ। স্বাস্থ্য দপ্তর অবশ্য রাতেই দুই ব্যক্তিকে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের শিলতোর্ষা কোয়ারান্টিন সেন্টারে পাঠানোর চেষ্টা শুরু করে।

অন্যদিকে দেহ নামিয়ে দিয়েই অ্যাম্বুলেন্সটি এলাকা থেকে চলে যায়। সোনাপুর ফাঁড়ির ওসি তাপস হোড় বলেন, ‘প্রোটোকল মেনেই দেহ সৎকার করা হয়েছে। ওই মৃতদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সহ যাবতীয় তথ্য খতিয়ে দেখা হয়েছে।’