শান্তিনিকেতন আবাসন বাদে বাকি কনটেনমেন্ট জোন তুলে নিল প্রশাসন

510
ছবি: সূত্রধর

শিলিগুড়ি: জলপাইগুড়ির পর দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে কন্টেনমেন্ট জোনও একটি বাদে বাকি সবগুলি তুলে দেওয়া হল। শুক্রবার থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে।

কালিম্পংয়ে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ার পরে গত ২৯ মার্চ থেকে সংশ্লিষ্ট পুরসভার ১১ এবং ১২ নম্বর ওয়ার্ডকে কনটেনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ কলোনির বাসিন্দা এক রেলকর্মী ২ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তারপরেই ৪ এপ্রিল ওই ওয়ার্ডটিকেও কনটেনমেন্ট জোন করা হয়।

- Advertisement -

আরও পড়ুন: শিলিগুড়ি পুরনিগম চালাবে শাসক-বিরোধী ‘জোট’

অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সংলগ্ন শান্তিনিকেতন আবাসনের বাসিন্দা এক নার্স এবং তাঁর পরিবারের আরও তিনজন করোনায় আক্রান্ত হন। এরপরেই ৪ এপ্রিল থেকে ওই আবাসনটিকেও কনটেনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করে সেখানে কড়া নজরদারি শুরু করে জেলা প্রশাসন। কনটেনমেন্ট জোনের বাসিন্দাদের এলাকার বাইরে যাতায়াত যেমন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল, পাশাপাশি বাইরের কোনো লোকজনকেও খুব প্রয়োজন ছাড়া অথবা প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়া ওই এলাকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

এক মাসেরও বেশি সময় পর কালিম্পংয়ে ১১ এবং ১২ নম্বর ওয়ার্ড এবং শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কনটেনমেন্ট জোন তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে, মেডিকেল সংলগ্ন শান্তিনিকেতন আবাসনের কনটেনমেন্ট জোন এখনও থাকছে বলে জানিয়েছেন শিলিগুড়ির মহকুমা শাসক সুমন্ত সহায়।

আরও পড়ুন: অন্ধ্রপ্রদেশে আটকে পড়া বাসিন্দারা পৌঁছালেন শিলিগুড়িতে

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ওই আবাসনের আবাসিকদের লালার নমুনা ধাপে ধাপে পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়া শেষ হলেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারই বিজ্ঞপ্তি জারি করে জলপাইগুড়ির জেলাশাসক অভিশেক তেওয়ারি শিলিগুড়ি পুরনিগমের অন্তর্গত জ্যোতিনগর এবং সংলগ্ন এলাকা অর্থাৎ ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের কনটেনমেন্ট তুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন।