জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ইস্যুতে শাসক-বিরোধী তরজা তুঙ্গে

120

বর্ধমান: জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ইস্যুতে শাসক-বিরোধী রাজনৈতিক তর্জা তুঙ্গে। রবিবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় দলীয় কর্মসূচীতে যোগ দিয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়ান বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ তুলে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘মহামান্য আদালত নির্দেশ দেওয়ায় এখন পুলিশ ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে। নির্যাতনের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে আসা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও এরাজ্যে ছাড়া পাচ্ছে না। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মানেন না। এখন আদালতকেও মানছেন না।’ অগ্নিমিত্রা পালের এহেন বক্তব্যের পালটা সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, ‘বিধানসভা ভোটে পরজয় বিজেপির নেতা-নেত্রীরা কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। আর তাই এখন নানাভাবে রাজ্য সরকারের বদনাম করার জন্যে উঠেপড়ে লেগেছে।

এরপরেই তিনি বলেন, ‘রাজ্যকে বদনাম করতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন , তপশিলি কমিশন এদের এরাজ্যে পাঠানো হচ্ছে।’ তাঁর দাবি, এরা কোনও সরকারের নিরপেক্ষ এজেন্সি নয়। এরা রাজনৈতিক দল বিজেপির এজেন্সি মাত্র। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, তপশিলি কমিশন শুধু বিজেপির দালালি করছে।

- Advertisement -

তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র দেবু টুডুর মন্তব্যের পাল্টা সুর চড়ান জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, ‘দেবু টুডুর বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট তৃণমূল কংগ্রেস আসলে দেশের সাংবিধানিক কোনও ব্যবস্থাকেই মানে না। অগ্নিমিত্রা পল ঠিকই বলেছেন, এরাজ্যে স্বৈরাচারী, অত্যাচারী সরকার চলছে।’