পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে চিন্তা বাড়ছে প্রশাসনের

335

শিবশঙ্কর সূত্রধর, কোচবিহার: জেলার বাইরে থেকে দলে দলে পরিযায়ী শ্রমিকরা জেলায় ঢুকতেই তাঁদের নিয়ে চিন্তা বাড়ছে কোচবিহার জেলা প্রশাসনের। কত সংখ্যক শ্রমিক জেলায় ঢুকবে তা নিয়ে এখনও সঠিক তথ্য নেই প্রশাসনের কাছে।

এদিকে, সরকারি কোয়ারান্টিন সেন্টারগুলিতে জায়গায় সংকুলান দেখা দেওয়ায় আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে জেলার ২৯টি সরকারি কোয়ারান্টিনে ৮৫৭ জন রয়েছেন। জানা গিয়েছে, বর্তমানে সরকারি কোয়ারান্টিনে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে এই জেলায় বসবাসকারী ভিনরাজ্যের হাজার হাজার শ্রমিকরা এখানে ঢোকা শুরু করার পর তাঁদের রাখার ব্যবস্থা নিয়ে সমস্যা দেখা দেবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

- Advertisement -

কোচবিহারের জেলাশাসক পবন কাদিয়ান বলেন, ‘আমরা সব ব্যবস্থা রাখছি। প্রয়োজন অনুযায়ী কোয়ারান্টিন সেন্টার তৈরি করা হচ্ছে।’ জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুমিত গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘এদিন জেলার বাইরে থেকে কিছু শ্রমিক এসেছেন। তাঁদের স্ক্রিনিংয়ের কাজ চলছে। যাঁরা গ্রিন জোন থেকে এসেছেন এবং সুস্থ রয়েছেন তাঁদের হোম কোয়ারান্টিনে থাকতে বলা হচ্ছে। বাকিদের সরকারি কোয়ারান্টিনে রাখা হচ্ছে।’

জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যে পর্যন্ত ৯৯ জনকে সরকারি কোয়ারান্টিনে রাখা হয়েছে। জেলায় সবথেকে বেশি সংখ্যক মানুষ সিতাইয়ে কোয়ারান্টিনে রয়েছেন। সেখানে বর্তমানে ১৩৪ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

সূত্রের খবর, এখনও জেলার কয়েকহাজার মানুষ জেলার বাইরে আটকে রয়েছেন। ধীরে ধীরে তাঁদের জেলায় ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বুধবার ৪১ জনকে বাঁকুড়া থেকে ফেরানো হয়েছে। পুরুলিয়া থেকে শীঘ্রই জেলায় বেশকিছু মানুষের আসার কথা রয়েছে। এছাড়াও শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে বহু পরিযায়ী শ্রমিক ঢুকবে কোচবিহারে। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের এনে কোথাও রাখা হবে সেটিই এখন প্রশাসনের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। এদিকে, জেলার বাইরে থেকে আসা মানুষদের স্ক্রিনিংয়ের জন্য ১০টি মেডিকেল টিম তৈরি করে রেখেছে স্বাস্থ্য দপ্তর।