মিটেছে ভোট, স্বাস্থ্য পরিষেবা ফিরে পেতে চান কুচলিবাড়িবাসীর বাসিন্দারা

166

মেখলিগঞ্জ: বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা কুচলিবাড়িতে রয়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ১৯৯৩ সালে উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। প্রথম দিকে চিকিৎসক, নার্স সহ স্বাস্থ্যকর্মী সকলেই ছিলেন। মিলত স্বাস্থ্য পরিষেবাও। কিন্তু ধীরে ধীরে স্বাস্থ্য কেন্দ্রকে ছেড়ে একে একে চিকিৎসক ও নার্স অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়ে যান। লাটে ওঠে স্বাস্থ্য পরিষেবা। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। যদিও বর্তমান সময়ে জামালদহ প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এক চিকিৎসক সপ্তাহে তিনদিন আউটডোর পরিষেবা দিয়ে আসছেন। তা অবশ্য পর্যাপ্ত নয় বলেই দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানান, রাতে এলাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র থাকলেও সপ্তাহের সাতদিন পরিষেবা মেলে না। বাধ্য হয়েই প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে ৩০ থেকে ৩৫ কিমি দূরের মেখলিগঞ্জ মহকুমা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ছুটতে হয় কুচলিবাড়ির বাসিন্দাদের। এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বনাথ রায় বলেন, ‘ভোটের আগে শাসকদলের নেতারা বলেছিলেন স্বাস্থ্য পরিষেবা ফিরিয়ে দেবেন। ভোট মিটে গিয়েছে, এবার আমরা কুচলিবাড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উন্নতি চাই।’

- Advertisement -

কুচলিবাড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন মেখলিগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ উত্তরকুমার রায়। তিনি জানান, বিষয়টি জানিয়ে উচ্চ স্বাস্থ্য আধিকারিকদের আবেদন করেছি।’ অন্যদিকে সদ্য নির্বাচিত মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী বলেন, ‘আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি কিভাবে কুচলিবাড়ির স্বাস্থ্য পরিষেবা ফেরানো যায়।’