করোনাকালে মাল শহরে রাখির বাজার শুনশান

237

মালবাজার: রাত পোহালেই রাখি বন্ধন উৎসব। প্রতিবছরই এই সময়ে রাখি বিক্রেতারা দম ফেলার সুযোগ পান না। তবে এবারের পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। করোনার প্রকোপে রাখি পূর্ণিমার আগে শহরের রাখির দোকানগুলি রবিবার শুনশানই থাকল। উল্টে শহরের ঔষধের দোকান এবং মাস্কের দোকানে ছিল নজরকাড়া ভিড়।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তেই মাল শহরের জনজীবন একেবারে জেরবার। কয়েক দফায় লকডাউন চলেছে। ইতিমধ্যেই শেষ পর্যায়ে লকডাউন বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। শুক্রবার থেকে মাল শহরের দোকানপাট আবারও খুলেছে।

- Advertisement -

স্টেশন রোডের নাগিন্দর গুপ্তা বহু বছর ধরে রাখি বিক্রি করেন। নাগেন্দর বাবু বলেন, “আমরা প্রতিবছর বহুদিন পূর্বেই রাখি কিনে আনি। চা বাগান, পাহাড় সহ বিভিন্ন এলাকার থেকে ক্রেতারা আসেন। এবার পরিস্থিতি আলাদা। নতুন করে রাখি কিনিনি। দোকানে মজুত থাকা রাখি বিক্রি করছি। কম সংখ্যক রাখি দোকানে আছৈ। কিন্তু সেগুলিও বিক্রি নেই।’

অনেকের বক্তব্য, করোনার প্রভাবে জনজীবনের চালচিত্রই বদলে গিয়েছে। এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। মালবাজারের মত শহরেও করোনা সংক্রমণ উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। স্টেশন রোডের আরেক ব্যবসায়ী দেবায়ন মুখোপাধ্যায় বলেন, “রাখি বন্ধন আমাদের ঐতিহ্যের প্রতীক। তবু ভাইরাস প্রতিরোধের কাজকেই সকলে বেশী গুরুত্ব দিচ্ছি। এবার রাখী বিক্রির তুলনায় মাস্কের বিক্রি অনেকটাই বেশি। শহরের বেশ কিছু সংগঠন সহ অন্যান্য এলাকাতেও রাখি বন্ধন উৎসব হবে। তা স্বাস্থ্য বিধি মেনেই হবে।“

ডামডিম এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য তীর্থংকর মজুমদার বলেন, “আমরা সোমবার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের স্বাস্থ্যবিধি মেনেই রাখি বন্ধন উৎসব করব। আমরা সকলকেই রাখির পাশাপাশি মাস্ক উপহার দেব।”