করোনা পরিস্থিতিতেও কাজে অটল সাফাই কর্মীরা

60

আলিপুরদুয়ার: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে উত্তাল দেশ। সংক্রমণে লাগাম টানতে বিভিন্ন রাজ্যে চলছে লকডাউন। পশ্চিমবঙ্গেও কার্যত লকডাউন চলছে। অনেকেই ঘরবন্দি রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন সাফাই কর্মীরা। আলিপুরদুয়ার পুরসভার সাফাই কর্মীরাও নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। মূল লক্ষ্য শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুরক্ষিত রাখা। তাঁদের কাজের প্রশংসা করছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরাও।

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পাশাপাশি তাঁদের কাছে আর এক বড় যুদ্ধ হল বর্ষায় নিকাশি ব্যবস্থা সচল রাখা। আলিপুরদুয়ার শহরের বড় সমস্যার মধ্যে অন্যতম সমস্যা এটি। ফের যাতে এই সমস্যা না হয় সেটাই বড় চ্যালেঞ্জ পুরসভা এবং সাফাই কর্মীদের। অবশ্য এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বলেই জানাচ্ছেন সাফাই কর্মীরা। পুরসভায় ৯৯ জন ক্যাজুয়াল স্টাফ রয়েছে। ডেঙ্গি রোধে রয়েছে ১২০ জন কর্মী। সাধারণত তাঁরা সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কাজ করে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে তাঁদের কাজের সময় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ছুটিও অমিল। শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে আবর্জনা তোলার পাশাপাশি স্যানিটাইজেশনের কাজেও সর্বদাই যুক্ত থাকতে হচ্ছে তাদের। পুরসভার ৪টি ট্রাক্টর, ৫টি ট্রাক, ৩টি ছোট গাড়ি, ১৩টি টোটো এবং একটি জেসেবি শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আবর্জনা তোলার কাজ করে। সেখানেও কর্মীদের থাকতে হয়। সাফাই কর্মী উজ্জ্বল পাসোয়ান জানান, তাঁদের কাজ সবসময় দায়িত্ব নিয়ে করতে হয়। বর্ষায় বন্যা পরিস্থিতি হোক কিংবা করোনা পরিস্থিতি ওভারটাইম কাজ করতে হচ্ছে তাঁদের। পুরসভার স্যানিটারি ইনস্পেক্টর সুময় চক্রবর্তী জানান, তাঁদের কাজ সত্যি প্রশংসনীয়। পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলী-র চেয়ারম্যান মিহির দত্ত জানান, গতবার বর্ষায় যে শহরে জল জমেনি তার কৃতিত্ব সাফাই কর্মীদের। এবারও অতিমারির সময় তাঁরা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। এবারও তাঁদের বাড়তি দায়িত্ব রয়েছে।

- Advertisement -