উত্তর-পূর্বাঞ্চলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চারদিনে দ্বিগুন

563

ওয়েব ডেস্ক: উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মাত্র চারদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ থেকে ২০০ তে পৌঁছাল। গত কয়েকদিন ধরেই ত্রিপুরায় লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পাশাপাশি অসমে অবিচ্ছিন্নভাবে কোভিড -১৯ কেসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় শনিবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে করোনা পজিটিভ কেসের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে।

উত্তর-পূর্বে রাজ্যগুলির মধ্যে মণিপুরে প্রথম করোনার থাবা পড়ে। ২৪ মার্চ মণিপুরে করোনা আক্রান্তের সন্ধান মেলে। উত্তর-পূর্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫০-এ পৌঁছাতে ২৪ দিন এবং ১০০-তে পৌঁছাতে ১৮ দিন লেগেছিল।

- Advertisement -

সোমবার সকাল পর্যন্ত উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২১২। এর মধ্যে ত্রিপুরায় করোনা আক্রান্ত ১৩৪ জন। যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ জন। বাকি ১৩২ জন করোনা আক্রান্ত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। গত ২৪ ঘন্টায় ত্রিপুরায় ১৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার আগের ২৪ ঘন্টায় ত্রিপুরায় ৫৩ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মেলে।

অসমে এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত ৬৩ (নাগাল্যান্ডে আক্রান্ত ১ জন চিকিৎসা গুয়াহাটিতে হয়েছে)। অসমে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৩৪ জন। বর্তমানে পজিটিভ কেসের সংখ্যা ২৭। মেঘালয়ে এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত ১৩। মৃত ১ জন। সুস্থ হয়েছেন ১০ জন। ১৯ দিন পর শনিবার মেঘালয়তে ১ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। রাজ্যে প্রথম আক্রান্ত শিলংয়ের ডাক্তারের সংস্পর্ষে আসার ফলেই বাকি ১২ জন আক্রান্ত হন। ওই ডাক্তার ১৫ এপ্রিল মারা যান।

মণিপুরে ২ জন এবং মিজোরাম ও অরুণাচলে ১ জন করে আক্রান্ত হলেও তাঁরা সকলেই বর্তমানে সুস্থ। গত ১ মাসে এই তিন রাজ্যে কোনও করোনা আক্রান্তের সন্ধান মেলেনি। নাগাল্যান্ডে এখনও অবধি করোনার থাবা পড়েনি। তবে ত্রিপুরায় হঠাৎ করেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। রাজ্যে প্রথম দুই আক্রান্ত সুস্থ হয়ে যাওয়ায় ২৪ এপ্রিল ত্রিপুরা নিজেদেরকে করোনা শূন্য হিসেবে দাবি করে।

তবে ২ মে বিএসএফের ১৩৮তম ব্যাটালিয়ন আম্বাসার দুজন জওয়ান করোনায় আক্রান্ত হন। একদিন বাদে ওই ব্যাটালিয়নের আরও ১২ জন জওয়ান করোনা আক্রান্ত হন। পরপর কয়েকদিন ১৩৮তম ও ৮৬তম ব্যাটালিয়নের বেশ কয়েকজন বিএসএফ জওয়ান ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা করোনা আক্রান্ত হন। শনিবার ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী টুইট করে ৮৬তম ব্যাটালিয়নের ১৭ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসার কথা জানান।