করোনা ধরতে চলতি মাসেই তদন্তে নামছে ফেলুদা

288

নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসের সন্ধানে শীঘ্রই তদন্তে নামছে ফেলুদা। অক্টোবরেই ভারতে জেনেটিক এডিটিং প্রক্রিয়া CRISPR/Cas-9 অর্থাৎ ফেলুদা কোভিড টেস্ট চালু করা হবে বলে জানিয়েছে কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ। সম্পূর্ণ দেশজ প্রযুক্তিতে তৈরি কোভিড পরীক্ষা পদ্ধতিটি টাটা সন্স বাজারজাত করতে চলেছে বলে জানিয়েছে তারা।

গত সেপ্টেম্বরেই ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেলের অনুমোদন পেয়ে গিয়েছিল ফেলুদা। কম খরচ ও দ্রুত গতির এই কোভিড পরীক্ষা পদ্ধতির উদ্ভাবক ইনস্টিটিউট অফ জেনোমিকস অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ বায়োলজি। দেখা গিয়েছে, কোভিড পরীক্ষার এই পদ্ধতি ৯৬ শতাংশ বেশি সংবেদনশীল এবং জীবাণু তল্লাশির ক্ষেত্রে ৯৮ শতাংশ বেশি অব্যর্থ। ফেলুদা ছাড়া আরও দুটি কোভিড পরীক্ষা পদ্ধতি অনুমোদনের জন্য জমা দিয়েছে কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ। ক্লিনিক্যাল স্যাম্পল পরীক্ষার আর এক পদ্ধতিতেও অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে।

- Advertisement -

কাগজে ফেলুদা পরীক্ষা পদ্ধতির ফলাফল প্রকাশিত হয় সরলরেখার মাধ্যমে। অর্থাৎ নমুনা কোভিড পজিটিভ বোঝাতে দুটি লাইন এবং নেগেটিভ বোঝাতে একটি লাইন ফুটে ওঠে। সহজে পরীক্ষার ফল বোঝা যায় বলে ফেলুদা পরীক্ষা করতে কোনও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীর প্রয়োজন হয় না এবং বাড়ি বসেই তা করা সম্ভব। এখনও পর্যন্ত প্রচলিত কোভিড পরীক্ষার মতো ফেলুদার জন্য নাক ও গলা থেকে লালার নমুনা জোগাড় করতে হয়। লালা থেকে আরএনএ বের করার পরে বাকি পরীক্ষার কাজ অতি দ্রুত হয়ে যায়।