কোভিড ভ্যাকসিনের দৌড়ে এবার এগিয়ে এল ফাইজার-বায়োএনটেক

307

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: এবার কোভিড ভ্যাকসিনের দৌড়ে এগিয়ে এল মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট ফাইজার ও জার্মান বায়োটেকনোলজি কোম্পানি বায়োএনটেক এসই। জানা গিয়েছে, এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে মিশ্র ফল মিলেছে। যাঁদের ওপর ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে তাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেড়েছে। দেহে অ্যান্টিবডিও তৈরি হয়েছে। তবে অনেকের শরীরে এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও তা প্রাণঘাতী নয়। এই সংস্থা দুটির দাবি, এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ অনেকাংশেই সফল বলা যায়।

ফাইজার এবং বায়োএনটেক-এর কোভিড ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল বুধবার MedRXiv-এ প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়, মোট ৪৫ জনের উপর এই ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করা হয়েছে। যার মধ্যে প্রথম ১২ জনকে ১০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ দেওয়া হয়েছে। আরও ১২ জনের উপর ৩০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ প্রয়োগ করা হয়েছে। ১২ জনের ওপর ১০০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ প্রয়োগ করা হয়েছে। বাকি নয়জনের ওপর প্লেসবো দেওয়া হয়েছে। তবে যাঁদের উপর ১০০ মাইক্রোগ্রামের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে অনেকেরই জ্বর, মাথাব্যথার মতো কিছু উপসর্গ দেখা দিয়েছে। ২১ দিন বাদে ওই ৪৫ জনের উপর ফের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। তাতে দেখা যায়, যাঁদের ১০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ৮.৩ শতাংশ এবং যাঁদের ৩০ মাইক্রোগ্রাম প্রয়োগ করা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে ৭৫ শতাংশর জ্বর এসেছে। সব মিলিয়ে এই ভ্যাকসিন যাঁদের উপর প্রয়োগ করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশ ব্যক্তির বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।

- Advertisement -

প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই ভ্যাকসিনটি সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর দেহে ১.৮ থেকে ২.৮ গুণ অ্যান্টিবডি বাড়িয়ে দিতে সক্ষম। সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের বিরুদ্ধেও এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করে। অর্থাৎ কোভিড-১৯ এর জীবাণুর বিরুদ্ধে এটি অনেকাংশেই লড়তে সাহায্য করবে। তবে এটা করোনামুক্ত করতে কতটা কাজ করবে তার জন্য আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন।