তৃতীয় দফার কোভ্যাক্সিন ট্রায়াল শুরুর অনুমতি পেল ভারত বায়োটেক

366

নয়াদিল্লি: তৃতীয় দফার কোভ্যাক্সিন ট্রায়াল শুরুর অনুমতি পেল ভারত বায়োটেক। বৃহস্পতিবার ভারত বায়োটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড সংস্থাকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় দফার ট্রায়াল শুরু করার অনুমতি দিয়েছে ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া।

জানা গিয়েছে, এই তৃতীয় দফার ট্রায়াল শুরুর আগে সামান্য কিছু পরিবর্তন করতে হবে সিম্পটোম্যাটিক কেসের ক্ষেত্রে প্রাথমিক এফিকেসি এন্ডপয়েন্টে। অনেকেরই মনে হতে পারে কী এই প্রাইমারি এফিকেসি এন্ডপয়েন্ট। প্রাইমারি এফিকেসি পয়েন্ট সেই পরিণতি যার উপর ভিত্তি করে ক্লিনিকাল ট্রায়ালের চিকিত্‍সার কার্যকারিতা বিচার করা হয়। ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু করার আগে প্রাইমারি এফিকেসি এন্ডপয়েন্ট নির্ধারণ করা একান্ত প্রয়োজন।

- Advertisement -

সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটির এক্সপার্ট প্যানেলের তরফে জানানো হয়েছে, এই সংস্থা প্রথম এবং দ্বিতীয় দফার ট্রায়ালের তথ্য পেশ করেছে। পাশাপাশি ইভেন্ট ড্রিভেন তৃতীয় দফার ক্লিনিকাল ট্রায়ালের যাতে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নির্দিষ্ট করা যায় তারও প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে।

প্যানেলের নির্দেশিকা অনুযায়ী কোনও কনফার্মড সিম্পটোম্যাটিক কেস বুঝতে গেলে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা পজিটিভ হওয়ার পাশাপাশি দুটি বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। প্রথম শর্ত হল, এর মধ্যে এক বা একাধিক লক্ষণ থাকলে-নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হলে, নতুন করে ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া, অক্সিজেনের স্যাচুরেশন মাত্র ৯৪-এর নীচে নেমে এলে, এক্স-রে অথবা সিটি স্ক্যান করে নিউমোনিয়া ধরা পড়া সহ তাঁর মৃত্যু হলে। দ্বিতীয় শর্ত হল, এর মধ্যে এক বা একাধিক লক্ষণ থাকলে- জ্বর, ঠান্ডা লাগা, নতুন করে কাশি হলে, সর্বক্ষণ ক্লান্ত, বমি ভাব, ডায়রিয়া, ক্রমাগত জল পড়া।

উল্লেখ্য, কোভ্যাকসিন তৈরির জন্য হায়দরাবাদের ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারত বায়োটেককে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। দেশের ১২টি কেন্দ্রে এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করা হয়েছিল। ৩৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে কোভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছিল।