টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে  চাইছেন না কোভিড যোদ্ধারা

240

নয়াদিল্লি : ভারতে করোনা সংক্রমণের রেখচিত্র রীতিমতো ফাঁপরে ফেলে দিয়েছে তাবড় বিজ্ঞানীদের। আমেরিকা সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যখন করোনার দ্বিতীয়, তৃতীয় এমনকি চতুর্থ ঢেউ আছড়ে পড়ছে, করোনা ভাইরাসের উৎস যে চিন, সেখানেও করোনার প্রভাব কমে এলেও সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়নি, ভারতে তখন করোনা সংক্রমণ ধারাবাহিকভাবে কমতে কমতে জনজীবন প্রায় স্বাভাবিক হতে চলেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, পরীক্ষার হার কমায় এবং মৃতের সংখ্যা কম করে দেখানোর চিরাচরিত প্রবণতার জন্যই ভারতে এমন উলটপুরাণ সম্ভব হয়েছে। তবে বিভিন্ন কোভিড হাসপাতালের রোগীদের খালি হয়ে যাওয়া শয্যার ছবি বলছে, করোনা সংক্রামিতের সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। দেশজুড়ে টিকাকরণ যত এগোবে পরিস্থিতি ততই স্বাভাবিক হবে বলে প্রত্যাশা খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

এর মাঝে সমস্যার কথা হল, করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার সরকারি পরামর্শে কান দিচ্ছেন না টিকা গ্রহীতারা। ১৬ জানুয়ারি দেশে টিকাকরণ শুরু হয়েছিল। প্রথম দিন টিকা নিয়েছিলেন ১ লক্ষ ৯১ হাজার জন। ২৮ দিন পর, শনিবার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার কথা ছিল তাঁদের। অথচ নিয়েছেন সাকুল্যে ৭,৬৬৮ জন। অর্থাৎ মাত্র ৪ শতাংশকে দ্বিতীয় টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। যাঁরা টিকা পেয়েছেন, তাঁরা সকলেই সামনের সারির কোভিড যোদ্ধা, ডাক্তার, নার্স প্রমুখ। টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের এহেন অনীহায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। মন্ত্রকের যুগ্মসচিব মনদীপ ভাণ্ডারী বলেছেন, সরকার চেয়েছিল ১ মার্চের মধ্যে কোভিড যোদ্ধাদের এবং ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকাকরণ শেষ করতে হবে। কিন্তু এভাবে চললে টিকাকরণ শেষ করতে অনেক দেরি হবে এবং বিশৃঙ্খলাও তৈরি হবে বলে তাঁদের আশঙ্কা।

- Advertisement -