শান্তিনিকেতন-তারাপীঠ-কঙ্কালিতলা যেতে বাধ্যতামূলক করোনা পরীক্ষা

120

সিউড়ি: এবার শান্তিনিকেতনের মতো পর্যটনকেন্দ্র ঘুরতে কিংবা কঙ্কালিতলা ও তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিতে গেলে করাতে হবে করোনা পরীক্ষা। সেইমতো জেলার ছয়টি প্রবেশ পথে করা হচ্ছে কিয়স্ক পয়েন্ট। সেখানে করোনা পরীক্ষা করার পরেই ছাড়পত্র পাওয়া যাবে পর্যটনকেন্দ্র কিংবা মন্দিরে। তবে করোনা ভাইরাস মিললে যেতে হবে আইসোলেশন ক্যাম্পে।

বীরের ভূমি বীরভূম। জেলায় রয়েছে পাঁচটি সতীপীঠ। এছাড়াও রয়েছে শান্তিনিকেতনের মতো আন্তর্জাতিকমানের পর্যটনকেন্দ্র। লকডাউন কিছুটা শিথিল হতেই তারাপীঠ, কঙ্কালিতলা মন্দির এবং শান্তিনিকেতনে মানুষের ঢল শুরু হয়েছে। এদিকে, লকডাউনের কারণে বীরভূম জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা তলানিতে ঠেকেছে। বাইরে থেকে পর্যটকরা এসে যাতে বীরভূমে নতুন করে করোনা ছড়িয়ে দিতে না পারে তার জন্য কঠোর হয়েছে জেলা প্রশাসন।

- Advertisement -

সোমবার সন্ধ্যায় বীরভূম জেলা শাসক বিধান রায় একটি নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দিয়েছে, তারাপীঠ, কঙ্কালিতলা এবং শান্তিনিকেতনে বেড়াতে গেলে আগে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, শান্তিনিকেতন ঢোকার আগে বোলপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাশীপুর বাইপাস এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জাম্বুনি টোল ট্যাক্সে করোনা পরীক্ষা করা হবে। কঙ্কালিতলা মন্দিরের পাশে একটা করোনা পরীক্ষাকেন্দ্র খোলা হয়েছে। এছাড়া তারাপীঠ মন্দিরে যাওয়ার তিনটি প্রবেশ পথে করোনা পরীক্ষাকেন্দ্র করা হয়েছে। একটি হচ্ছে রামপুরহাট ২ নম্বর ব্লকের সাহাপুর পঞ্চায়েতের ফুলিডাঙ্গা বাস টার্মিনাস। অন্য দু’টি হল রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের খরুন গ্রাম পঞ্চায়েতের আটলা মোড় এবং বালিয়া মোড়ে। তবে শুধুমাত্র কঙ্কালিতলা ছাড়া এখনও পর্যন্ত কোথাও কিয়স্ক পয়েন্ট করা হয়নি বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।

জেলা শাসক বিধান রায় বলেন, ‘আমরা চাইছি না বাইরে থেকে মানুষ এসে করোনা ছড়িয়ে যাক বীরভূমে। তাই পর্যটকদের করোনা পরীক্ষা করার পর প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। যদি কারও শরীরে করোনার সংক্রমণ মেলে তাঁকে আইসোলেশন ক্যাম্পে রাখা হবে। এছাড়া প্রতিটি পর্যটকের মুখে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রত্যেক পর্যটকের হাতে দেওয়া হবে স্যানিটাইজার।