বিধায়কের কাছে ভাঙন কবলিতদের পাশে দাঁড়ানোর আর্জি সিপিএমের

386

বৈষ্ণবনগর: নদী ভাঙনের ফলে দুই শতাধিক বাড়ি গঙ্গার গ্রাসে চলে গিয়েছে। এর ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বৈষ্ণবনগরের চিনা বাজার ও দুর্গারাম টোলার বাসিন্দারা। বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে অর্ধহারে, অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন ভাঙনের কবলে পড়া মানুষজন।

সোমবার চিনা বাজার পরিদর্শনে যায় সিপিএমের একটি প্রতিনিধি দল। ওই দলে ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ তথা সিপিএম নেতা আবু হাসনাত খান। ভাঙ্গনের কবলে পড়া বাসিন্দারা যাতে পুনর্বাসন সহ সরকারি সাহায্য পান, সেই আবেদন এদিন বিজেপি বিধায়ক স্বাধীনকুমার সরকারের সঙ্গে দেখা করে জানিয়েছেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। হাসনাত খান বলেন, ‘এখন রাজনীতি করার সময় নয়। ভাঙনের ফলে অসহায় হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি তাঁরা যাতে সবরকম সরকারি সহযোগিতা পান, সেই দিকেও নজর রাখতে হবে। এদিন আমি বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছি। ভাঙন দুর্গতদের পুনর্বাসনের দাবির বিষয়টি বিধানসভায় তোলার অনুরোধ করেছি তাঁকে।’ হাসনাত খান আরও বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলকে এক হয়ে এই সময় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

- Advertisement -

অন্যদিকে, ভাঙন নিয়ে ইতিমধ্য়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সম্প্রতি ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা সাংসদ মৌসম নুর অভিযোগ করেন, ‘ভাঙ্গন কবলিত এলাকা রক্ষার জন্য ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ কোনও কাজ করেনি। বরং তারা বিজেপি বিধায়ক স্বাধীনকুমার সরকারের বাড়ি রক্ষার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে ওই এলাকা ভরাট করেছে।’

যদিও বিজেপি বিধায়ক স্বাধীনকুমার সরকার বলেন, ‘তৃণমূল সভানেত্রীর তোলা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। শুধু বিজেপি সরকার বা ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষকে দোষারোপ করলে চলবে না। মালদা জেলায় শুধু এবারই ভাঙন হচ্ছে তা নয়, ভাঙন আমরা দীর্ঘদিন থেকেই দেখে আসছি। গনি খান চৌধুরী বা কংগ্রেস আমল থেকেই ভাঙন হয়ে আসছে। গনি খান চৌধুরীও ভাঙন রোধ করতে পারেননি।’