গোল বাতিলের ক্ষোভে মাঠ ছাড়লেন রোনাল্ডো

বেলগ্রেড : শেষ মুহূর্তে গোল করে আগেও ক্লাব ও দেশকে ম্যাচ জিতিয়েছেন। শনিবার রাতে সার্বিয়ার বিরুদ্ধেও এমনই পরিকল্পনা ছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর।

কিন্তু বল গোললাইন পার হয়ে গেলেও গোল দিলেন না রেফারি। উলটে সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানানোয় দেখলেন হলুদ কার্ড। রেগেমেগে শেষ পর্যন্ত মাঠ ছেড়ে উঠে গেলেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা। এতটাই ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন যে সাজঘরে যাওয়ার পথে অধিনায়কের আর্মব্যান্ডও ছুড়ে ফেলে দিলেন। ম্যাচে দুই গোলে এগিয়ে গিয়ে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে সার্বিয়ার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করল পর্তুগাল।

- Advertisement -

এদিন জিতলে গ্রুপ এ-র শীর্ষ উঠে আসত পর্তুগাল। শুরু থেকে জেতার মেজাজেই শুরু করেছিলেন গতবারের ইউরো চ্যাম্পিয়নরা। ১১ এবং ৩৬ মিনিটে জোড়া গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দিয়েগো জোটা। দুটি গোলই করেছেন হেডে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আলেকজান্ডার মিত্রোভিচ ও ফিলিপ কসটিচের গোলে সমতা ফেরায় সার্বিয়া। খেলা শেষ হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে গোল লক্ষ্য করে শট নেন রোনাল্ডো। ডিফেন্ডার স্তেফান মিত্রোভিচ আটকানোর আগেই বল গোললাইন অতিক্রম করে যায়।

কিন্তু সহকারী রেফারি গোল হয়নি বলে জানান। যা দেখে পর্তুগালের গোলের দাবি উড়িয়ে দেন ডাচ রেফারি ড্যানি ডেসমন্ড ম্যাকেলি। এমনকি প্রতিবাদ করায় হলুদ কার্ড দেখান রোনাল্ডোকে। সঙ্গে সঙ্গে মাঠ ছেড়ে সাজঘরের দিকে রওনা হন সিআর ৭। অধিনায়কের আর্ম ব্যান্ড মাঠেই ছুঁড়ে ফেলেন। সেসময় সার্বিয়ার গোলরক্ষক গোলকিকের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন।

পরে ইনস্টাগ্রামে নিজের আচরণের সাফাইও দিয়েছেন রোনাল্ডো। তিনি লিখেছেন, পর্তুগালের অধিনায়ক হওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। দেশের জন্য সবসময় নিজের সেরাটা দিই, ভবিষ্যতেও দেব। কিন্তু কিছু সময়, বিশেষত যখন আপনি টের পান আপানার দেশকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, তখন মাথা ঠান্ডা রাখা সত্যিই অসম্ভব। দলের একনম্বর তারকার পাশে দাঁড়িয়ে যোগ্যতা অর্জন পর্বে কেন ভিএআর বা গোললাইন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন কোচ ফার্নান্দো স্যান্টোস।