ইদ ও অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষ্যে ভিড় সোনার দোকানে

76

বালুরঘাট: প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই ইদ ও অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষ্যে ক্রেতাদের ভিড় উপচে পড়ল বালুরঘাটের সোনার দোকানগুলিতে। যদিও আংশিক লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্যবসায় মন্দা ঘিরে ধরেছিল। শুক্রবার দুটি ভিন্ন সম্প্রদায়ের দুটি উৎসবের জেরে আবার মুখে হাসি ফুটেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের।

প্রশাসনের তরফে সোনার দোকান খুলে রাখার জন্য দিনে মাত্র তিন ঘণ্টা সময় দিয়েছে। এত কম সময়ের কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহরের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের একাংশ। বিগত বছরগুলোতে ইদের প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই সোনার জিনিস কেনাকাটা শুরু হয়ে যেত। তবে, করোনার জেরে গত কয়েক দিনে সোনার দোকানে হাতেগোনা ক্রেতার দেখা মিলেছে। কিন্তু এদিন অক্ষয় তৃতীয়া ও ইদ একই দিনে হওয়ায় নজরকাড়া ভিড়ের ছবি ধরা পড়েছে শহরের সোনার দোকানগুলিতে।

- Advertisement -

লেনিন মার্কেট এলাকার এক প্রসিদ্ধ স্বর্ণ ব্যবসায়ী উত্তম পোদ্দার বলেন, ‘আংশিক লকডাউনের জেরে ব্যবসায় প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। শুধু এদিন দুটো উৎসব একই দিনে পড়ার ফলে সাধারণ মানুষ সোনার দোকানে এসেছেন। আমরা প্রত্যেক ক্রেতাকে দোকানে প্রবেশের সময় স্যানিটাইজ করে নিচ্ছি। মাস্ক ছাড়া কাউকে দোকানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।‘

নারায়ণপুর এলাকার এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী অসীম নাগ বলেন, ‘ইদের অনেক দিন আগে থেকেই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ হালকা থেকে ভারী সোনার জিনিস বানিয়ে নিয়ে যেতেন। অনেকেই আবার রেডিমেড অলংকার পছন্দ করেন। শুধু বালুরঘাট শহর নয়, পার্শ্ববর্তী গ্রামাঞ্চল থেকেও সম্ভ্রান্ত পরিবারের মানুষজন সোনা কেনার ওপর আগ্রহ দেখান।‘

এক ক্রেতা সুশান্ত কুন্ডু বলেন, ‘অনেকেই বছরের শেষের দিকে ধনতেরাসের সময় সোনার জিনিস কেনাকে শুভ বলে মনে করেন। তবে, আমরা প্রতি বছর সোনার জিনিস কিনতে চাইলে অক্ষয় তৃতীয়ার শুভক্ষণকেই বেছে নিয়েছি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি, যদিও চলতি বছরে করোনার দাপটে বাজেট অনেকটা কমে এসেছে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলে কেনাকাটা করছে।‘