মোবাইলে আসক্তি কমাতে ফুটবল মাঠে ভিড় কচিকাঁচাদের

81

রায়গঞ্জ: মোবাইলের প্রতি আসক্তি কমানোর পাশাপাশি শরীর ও মনের বিকাশের জন্য সকাল হলেই রায়গঞ্জ শহরের টাউন ক্লাব মাঠে ভিড় করছে কচি কাঁচারা। কারও বয়স ৪ বছর, কারও বয়স ৬ বছর। সকাল ৮টা বাজলেই এরা চলে আসে মাঠে। প্রায় প্রত্যেকের পায়ে থাকে একটি করে ফুটবল। তবে এদের জন্য বিভিন্ন সাইজের ফুটবল রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ফুটবল প্রশিক্ষণ নেয় এই কচিকাঁচারা। করোনা আবহের জন্য বেশ কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর শুরু হয়েছে প্রশিক্ষণ। স্কুল বন্ধ থাকায় সপ্তাহে ৫ দিন সকাল হলেই অভিভাবকদের সঙ্গে মাঠে চলে আসে তারা। মাঠের নির্দিষ্ট জায়গায় থাকা ব্যারিকেড সরিয়ে, পায়ের স্কিল শিখছে তারা।

প্রশিক্ষণরত সৌমাভ বসাক জানায়, সকাল হলে মাঠে আসতেই হবে। ফুটবল না খেললে দিনটাই খারাপ যায়। ফুটবল খেলতে ভীষণ ভালো লাগে। আগামী দিনে মেসির মত খেলতে চাই। উকিল পাড়ার প্রথম শ্রেণির ছাত্র আরিহান জানায় ‘আমি এখানে রোজ আসি। ফুটবল খেলতে ভালো লাগে। ফুটবল খেলে আগামী দিনে বড় ফুটবলার হতে চাই। পরি দে নামে এক অভিভাবক জানান একটা সময় আমি নিজেই ফুটবল খেলতাম। এখন ছেলে খেলছে, আমি বাঁধা দিই না।’ অভিভাবক বিষ্ণু দেব ভট্টাচার্য জানান, মোবাইলের প্রতি আসক্তি কমাতে এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ফুটবল খেলতে নিয়ে আসি প্রতিদিন। খেলার প্রতি ঝোঁক তৈরি হওয়ায় মোবাইলের প্রতি আসক্তি কমেছে।

- Advertisement -

ফুটবল কোঁচ বাবলু মহম্মদ জানান, ২০১৮ সাল থেকে এখানে শিশুদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। গত বছর করোনার কারণে সেভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়নি। অবস্থা স্বাভাবিক হতেই ভিড় বাড়তে শুরু করেছে মাঠে। মাঠের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে ফুটবলের বিকল্প আর কিছু নেই। আগামী জীবনে নিজের লক্ষ্য তৈরি করতে এবং সাহসী হয়ে মানসিকভাবে লড়াই করতে ফুটবল ভীষণ উপযোগী।