১০০ দিনের কাজের টাকা আত্মসাতের চক্র সক্রিয় হেমতাবাদে

94

হেমতাবাদ: ১০০ দিনের কাজ বাস্তবে কিছুই হয় না, বরং কাজের নামে টাকা লুটপাট চলে দেদার। এমনই একটি চক্র সক্রিয় হেমতাবাদের চৈনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন সংসদে। যারা জবকার্ডধারী তাঁদের কার্ডকে ব্যবহার করে প্রতারকরা কার্যত টাকা লুটপাট করছে বলে অভিযোগ। সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে জব কার্ড হাতিয়ে নিয়ে একশো দিনের টাকা তুলে নেয় সেই চক্রের পান্ডারা। ফলে গরিব মানুষের রোজগার বলে কিছুই হয় না। বরং পকেট ভরে প্রতারকদের।

চৈনগর এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছর দুয়েক আগে কয়েক কোটি টাকা লুট হয়েছে হেমতাবাদ বিধানসভা এলাকার বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতে। সেখানে পঞ্চায়েতের আধিকারিকেরাও জড়িত ছিল। কতদিন চলবে এই লুটপাট? বিজেপির জেলা নেতা বিশ্বজিৎ লাহিড়ী জানান, গত ১০ বছরে গ্রামবাসীদের উন্নয়ন না হলেও তৃণমূলের পঞ্চায়েতের সদস্য থেকে শুরু করে প্রধানরা কোটি কোটি টাকার মালিক। হয়েছেন। সিপিএমের জেলা সম্পাদক অপূর্ব পাল ১০০ দিনের কাজে দূর্নীতির অভিযোগের তদন্ত দাবি করেন। কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্তও জানান, রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ও পঞ্চায়েত সদস্যরা কাজ না করে বহু টাকা আত্মসাৎ করেছেন। যদিও স্থানীয়দের এহেন অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। দলের ব্লক সভাপতি শেখর রায় জানান, হেমতাবাদ থানার অধীনে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতেই স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ হচ্ছে। এইসব বিরোধীদের অপপ্রচার।

- Advertisement -