ওয়েব ডেস্ক, ৩ মে : শুক্রবার সকাল আটটা নাগাদ ওডিশা ও অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল ফণী। ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭৫ কিলোমিটারের কাছাকাছি। মৌসম ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝড়ের গতিবেগ ২০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হতে পারে। ঝড়ের সঙ্গে তুমুল বৃষ্টিও শুরু হয়েছে। ওডিশা উপকূলের বিস্তীর্ণ জায়গা ইতিমধ্যেই জলমগ্ন। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১১ লক্ষ মানুষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে নিরাপদ জায়গায়। ওডিশার পুরী ও গঞ্জামে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষকে ফ্লাড শেল্টারে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ফণীর আশঙ্কায় প্রহর গুণছে পশ্চিমবঙ্গও। আজ বিকেলের মধ্যে রাজ্যে চলে আসার কথা ঘূর্ণঝডড়ের। ইতিমধ্যেই কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রে জানানো হয়েছে, সমস্ত বিমান ওঠানামা বন্ধ থাকবে ফণীর জন্য। ওডিশা উপকূলে ফণী আগে চলে আসায় সেই সময়সীমা এগিয়ে আনা হয়েছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় ইতিমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করেছেন, এই দু-দিন প্রয়োজন না পড়লে সাধারণ মানুষ যেন বাড়ি থেকে খুব একটা না বাইরে বের হন। এছাড়া কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে মেদিনীপুর ও নবান্নে। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের কর্মীদের ছুট্ বাতিল করা হয়েছে। দিঘাতেও চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের ধারেকাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। দিঘা সহ রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় টহল দিচ্ছে উপকূলরক্ষী বাহিনী।

ঝড়ের দাপটে উপড়ে পড়েছে গাছ। ভুবনেশ্বরে পিটিআইয়ের ছবি।