করোনা: ২৪ ঘন্টায় দেশে আক্রান্ত ২৯৫৮, মৃত ১২৬

নয়াদিল্লি: প্রতিদিনই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যাও। ইতিমধ্যে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯ হাজার পেরিয়েছে। মৃতের সংখ্যা ১৭০০ ছুঁইছুঁই।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯৩৯১। মৃত্যু হয়েছে ১৬৯৪ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৯৫৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তের পাশাপাশি, দেশে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১২৬ জনের। এই মুহূর্তে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৯৪। তবে এর মধ্যেও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ১৮৩ জন। দেশে সক্রিয় করোনা রোগী ৩৩৫১৪ জন।

- Advertisement -

দেশের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মহারাষ্ট্র, গুজরাট ও দিল্লির। মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫৫২৫ হয়েছে। ফলে দেশের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যায় এখনও শীর্ষে মহারাষ্ট্র। আবার, করোনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যুও হয়েছে এই রাজ্যেই। ৬১৭ জন মারা গিয়েছেন এখনও পর্যন্ত। সুস্থ হয়েছেন ২৮১৯ জন।

মহারাষ্ট্রের পরই আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গুজরাট। এখনও পর্যন্ত ৬২৪৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩৬৮ জনের। তৃতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। মোট আক্রান্ত ৫১০৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬৪ জনের। তবে পিছিয়ে নেই তামিলনাড়ু, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশ। তামিলনাড়ুতে মোট আক্রান্ত ৪০৫৮। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৩৩ জনের।

রাজস্থানে আক্রান্ত ও মৃত যথাক্রমে ৩১৫৮ ও ৮৯ জন। মধ্যপ্রদেশে ৩০৪৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গিয়েছেন ১৭৬ জন। উত্তরপ্রদেশে আক্রান্ত ২৮৮০ জন এবং মৃত ৫৬ জন। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ থেকে ৩৩ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর এসেছে। যদিও এখানে এখনও একটিও প্রাণ কাড়তে পারেনি করোনা। তেলেঙ্গানায় মৃত ২৯। পঞ্জাবে মৃত ২৫। এছাড়া জম্মু-কাশ্মীরে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে এপর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ১৩৪৪ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৪০ জনের। যদিও গতকাল নবান্নে রাজ্য সরকার দাবি করেছে, রাজ্যে কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬৮ জনের। বাকি ৭২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী কো-মর্বিডিটির কারণে মারা গিয়েছেন।

মেঘালয়, চণ্ডীগড়, হিমাচলপ্রদেশ, ওডিশা, অসম এবং উত্তরাখণ্ডের পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে গতকাল জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কেরল দ্রুত উন্নতি করছে। সেখানে আক্রান্ত মোট ৫০২ জনের মধ্যে ৪৬২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে সাকুল্যে ৪ জনের। মণিপুর, মিজোরাম এবং অরুণাচল প্রদেশের পরিস্থিতিও ভালো বলে জানা গিয়েছে।