শুরু ডাকুরঘাট সেতুর কাজ, পরিদর্শনে মন্ত্রী

87

মেখলিগঞ্জ: মেখলিগঞ্জের বাগডোকরা-ফুলকাডাবরি গ্রাম পঞ্চায়েতের সানিয়াজান নদীর উপর ডাকুরঘাটের কাঠের সেতু দুর্বল। দীর্ঘদিন ধরে পাকা সেতুর দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ২০০৭ সালে সেতুর কাজ শুরু হলেও তা বন্ধ হয়ে যায়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের পূর্ত দপ্তরের তরফে সেতু নির্মাণের জন্য আনুমানিক ১১ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়। ভোট মিটতেই সেতু নির্মাণে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সোমবার সেতুর কাজ পরিদর্শনে আসেন স্কুল শিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী পরেশচন্দ্র অধিকারী।

পূর্ত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমান কাঠের সেতু ভেঙে সেখানেই তৈরি হবে পাকা সেতু। সেতুটি দৈর্ঘ্য হবে ৭৫ মিটার। কাঠের সেতু ভাঙলে বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেরা ডাঙ্গারহাটের বাসিন্দারা পুরোপুরি বিছিন্ন হয়ে যাবে। সেই কারণে সাময়িকভাবে যাতায়াতের জন্য ডাকুরঘাটে একটি অস্থায়ী বিকল্প লোহার সেতু তৈরি করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পাকা সেতুটি তৈরি হলে অস্থায়ী সেতু ভেঙে ফেলা হবে। এদিন সেই জায়গা পরিদর্শনে আসেন মন্ত্রী পরেশচন্দ্র অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মেখলিগঞ্জ মহকুমার পূর্ত দপ্তরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার তন্ময় সরকার, জুনিয়র সুদীপ কর।

- Advertisement -

মন্ত্রী বলেন, ‘সেতুটির দাবি দীর্ঘদিনের। একবার কাজ শুরু হলেও বন্ধ হওয়ায় ক্ষোভ ছিল মানুষের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের কথা ভেবে সেতু নির্মাণে উদ্যোগী হন। সেই মতো জোরকদমে সেতুর কাজ চলবে।’

সেতুর নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় খুশি ডাঙ্গারহাটের ধর্মেন্দ্র রায় পোদ্দার, মলয় রায়, যতীন রায়রা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন কাঠের দুর্বল সেতু ছিল। সেতুর শুরুতে মাঝখানে একটি খুটি দিয়েছিল পূর্ত দপ্তর যাতে চার চাকার মালবাহী গাড়ি যেতে না পারে। ফলে আমরা খুবই সমস্যায় পড়ি। বাড়িঘর নির্মাণের জন্য যেমন নির্মাণ সামগ্রী আনতে পারি না তেমনি স্থানীয় এলাকার উৎপাদিত ফসল বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যেতে পারিনি মালবাহী গাড়িতে।

ডাকুরঘাটের সানিয়াজান সেতুর কাজ তত্ত্বাবধানে রয়েছে তিস্তা ব্রিজ কনস্ট্রাকশন ডিভিশন। ডিভিশনের এক আধিকারিক জানান, অস্থায়ী লোহার সেতুটি তৈরি হলেই পুরোনো কাঠের সেতু ভেঙে পাকা সেতুর কাজ শুরু হবে। দুই বছরের মধ্যেই সেতুর কাজ সম্পূর্ণ হবে।