গ্রামবাসীদের চাঁদায় পাড়বাঁধ রাঙ্গালিবাজনায় 

54

রাঙ্গালিবাজনা: পঞ্চায়েত ব্যবস্থা থাকলেও মেলেনি পাড়বাঁধ। বাধ্য হয়ে নদীভাঙন রোধে চাঁদা তুলে পাড়বাঁধ তৈরি করতে হল আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট বীরপাড়া ব্লকের উত্তর রাঙ্গালিবাজনার বাসিন্দাদের। উত্তর রাঙ্গালিবাজনার ডাঙ্গাপাড়ায় চাঁদা তুলে মুজনাই নদীর পাড়ভাঙন রোধে তৈরি করেছেন পাড়বাঁধ। আর্থমুভার দিয়ে নদীবক্ষের বালি তুলে নদীর পাড়ে বাঁধের আকারে জমা করা হয়েছে। গ্রামপঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও পর্যন্ত ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যার কাছেও নগদ ৫ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে ওই ‘বালির বাঁধ’ মুজনাই নদীর পাড়ভাঙন ঠেকাতে কতটা কার্যকরী হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও। তাদের বক্তব্য, বালির বাঁধ পাড়ভাঙন রোধে বিশেষ কাজে না লাগলেও কমপক্ষে কিছুদিন জলোচ্ছ্বাস ঠেকানোর কাজে লাগতে পারে।

ওই এলাকায় মুজনাই নদীর ডানহাতি শাখার পাড়ভাঙনে বাগান ও কৃষিজমিগুলি হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ পাড়বাঁধ তৈরি হয়নি। এলাকার বাসিন্দা আমির প্রধান বলেন, ‘গতবছর পাড়ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে আমরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। প্রশাসন আশ্বাস দিলেও কোনও লাভ হয়নি। এদিকে প্রতিদিনই নদী পাড় ভেঙে কৃষিজমি গ্রাস করে চলেছে। তাই আমরা নিজেরাই পাড়বাঁধ তৈরির কাজ শুরু করলাম।’ তবে মাদারিহাট বীরপাড়া পঞ্চায়েত সমিতির স্থানীয় সদস্য সাজিদ আলম বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই। তবে আমরা শীঘ্রই ব্লকের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ভাঙন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’ রাঙ্গালিবাজনা গ্রামপঞ্চায়েতের স্থানীয় সদস্যা মমতা কামী বিশ্বকর্মা বলেন, ‘আমিও সাধ্যমত চাঁদা দিয়েছি। স্থায়ী পাড়বাঁধ তৈরির চেষ্টা চলছে। তবে কবে হবে জানি না।’

- Advertisement -