ইসলামপুর, ৪ সেপ্টেম্বরঃ চোপড়া থানার দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, এদিন গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যলয়ের তালা ভেঙে ভাঙচুর ও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান বলেন, ‘কংগ্রেসই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। গতকাল রাতে কে বা কারা কংগ্রেস নেতাদের ওপর হামলা চালিয়েছে পুলিশ তা তদন্ত করছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা পালটা দেওয়া শুরু করলে ফল সাংঘাতিক হবে। পুলিশ করা ব্যবস্থা না নিলে ফল মারাত্মক হবে।’ চোপড়া ব্লক কংগ্রেস সভাপতি অশোক রায় বলেন, ‘গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরে তাণ্ডবের ঘটনায় কংগ্রেস জড়িত নয়। তৃণমূল পরিকল্পিতভাবে সমস্ত কিছু করছে। আগুনের ঘটনা জানা নেই। তবে ভাঙচুর হয়েছে বলে শুনেছি।’ খবর পেয়ে ইতিমধ্যে চোপড়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে চোপড়া থানার লক্ষ্মীপুর ও ইসলামপুর থানার সুজালির মাঝখানে চোপড়া ব্লক কংগ্রেস সভাপতি অশোক রায়ের গাড়িতে হামলা করা হয়। ব্লক কংগ্রেস সভাপতি অশোক রায় বলেন, ‘অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ইসলামপুর আসছিলাম। সেই সময় সুজালি এলাকায় তৃণমূলের গুন্ডারা আমাদের গাড়ি আটকে ভাঙচুর করে। গুলি করা হয়। এমনকি আমাদের প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয়েছে।’ সুজালি অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি আবদুল হক বলেন, ‘সুজালি এলাকায় এই ঘটনা ঘটেনি। লক্ষ্মীপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। কংগ্রেস নেতৃত্ব সুজালিকে বদনাম করার রাজনীতি করছে।’ যদিও এই বিষয়ে ইসলামপুর জেলা পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বেশকিছুদিন চোপড়া শান্ত ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে সুজালিতে কংগ্রেস নেতৃত্বের ওপর হামলা এবং আজ দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে তান্ডব সহ লক্ষ্মীপুরে ফের মারধরের ঘটনা চোপড়ায় অশান্তির সৃষ্টি করছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।