চা বাগান থেকে অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার পচাগলা দেহ উদ্ধার

919

ফাঁসিদেওয়া: চা বাগানের নালা থেকে অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল ঘোষপুকুরে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফাঁসিদেওয়া ব্লকের ঘোষপুকুরের ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে মতিধর চা বাগানের ১৩ নম্বর সেকশন থেকে দেহটি উদ্ধার হয়েছে। স্থানীয়দের অনুমান, ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বাগানের শ্রমিকরা চা পাতা তুলে বাড়ি ফেরার সময় দুর্গন্ধ পান। দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে নালার মধ্যে মৃতদেহ দেখতে পান তাঁরা। বাগানের ম্যানেজার কাজল রক্ষিত বিষয়টি জানতে পেরে বিধাননগর তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেন। এরপর ডিএসপি (গ্রামীণ) অচিন্ত্য গুপ্ত এবং বিধাননগর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে।

- Advertisement -

ময়নাতদন্তের জন্য দেহ উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মহিলার নাম ও পরিচয় জানতে বিধাননগর তদন্ত কেন্দ্রের তরফে বিষয়টি পার্শ্ববর্তী এলাকার থানাগুলিতেও জানানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, মৃতদেহের কাছে একটি ব্যাগ পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া জামা-কাপড়ও পড়েছিল। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করেছে। স্থানীয়দের অনুমান, বেশ কয়েকদিন আগে মহিলার মৃত্যু হয়েছে। বাগানের শ্রমিকরা জানান, মহিলা বাগানের কেউ নন। বাইরে থেকে ওই মহিলা এখানে এসেছেন বলে তাঁদের দাবি। মৃতদেহের পাশে জামা ও ছেড়া মালা পড়ে থাকতে দেখে শ্রমিকরা মনে করছেন, ওই মহিলাকে ধর্ষণের পর খুন করে দেহ নালায় ফেলে কেউ বা কারা পালিয়েছে। সুভাষ মুর্মু, গঙ্গা ওরাওঁ সহ অন্য বাসিন্দারা মহিলার মৃত্যুর কারণ জানতে সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

ডিএসপি (গ্রামীণ) অচিন্ত্য গুপ্ত জানিয়েছেন, পার্শ্ববর্তী এলাকায় কোনও মহিলা নিখোঁজ আছেন কিনা, তার খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। মহিলার কতদিন আগে মৃত্যু হয়েছে তা বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে বাকিটা জানা যাবে।