দাহকাজে দেরি, করোনায় মৃতদের দেহ জমছে রায়গঞ্জ শ্মশানে

78

রায়গঞ্জ: একের পর এক করোনায় মৃতদের দেহের ভিড় জমছে রায়গঞ্জ পুরসভার শ্মশানঘাটে। আর এই দেহ দাহ করতেই রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে শ্মশানঘাটের কর্মীদের। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে একটি বৈদ্যুতিক চুল্লিতে যেখানে সাধারণ মৃতদেহ পোড়াতে আধঘন্টা সময় লাগে এখন করোনা পরিস্থিতিতে শবদাহ করতে অনেক বেশি সময় লাগছে। প্রতিদিনের মৃতদেহ প্রতিদিন সৎকার করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প আরও একটি বৈদ্যুতিক চুল্লির দাবি জানিয়েছেন বন্দর শ্মশান কর্তৃপক্ষ।

রবিবার প্রায় ১৫টি করোনায় আক্রান্ত রোগীর দেহ শ্মশানে নিয়ে আসা হয়েছিল। সোমবার সকাল পর্যন্ত দশটি মৃতদেহ দাহ করা সম্ভব হয়েছে। দিনরাত মৃতদেহ পোড়ানোর পরও দাহকাজ শেষ করা যাচ্ছে না। ফলে মৃতদেহের স্তুপে পরিণত হচ্ছে রায়গঞ্জ পুরসভার এই শ্মশানঘাট। এই পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন শ্মশান কর্তৃপক্ষ। পুরসভার বক্তব্য, বৈদ্যুতিক চুল্লিটি একেবারে বিকল হয়নি। তবে একটি মৃতদেহ দাহ করতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। দাহকাজে কর্মরত পুর কর্মীদের বক্তব্য, এক একটি মৃতদেহ সৎকার করতে ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট সময় লাগত। এখন এক থেকে দেড় ঘন্টা সময় লাগছে। তবে বৈদ্যুতিক চুল্লির যা অবস্থা তাতে এত শবদাহের চাপ সামলানো যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন পুর কর্মীরা। রায়গঞ্জ পুরসভার এক আধিকারিক জানান, বন্দর শ্মশানে আরেকটি বৈদ্যুতিক চুল্লি বসানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তা শেষ করা হবে। এদিন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা সমস্ত কিছু পরিদর্শন করেন। রায়গঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান সন্দীপ বিশ্বাস জানান, শীঘ্রই আরও একটি বৈদ্যুতিক চুল্লি স্থাপন করা হবে।

- Advertisement -