বহরমপুর, ৪ সেপ্টেম্বরঃ গণপ্রহারের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার বিল পাস করলেও তার কোনো প্রভাবই পড়েনি মানুষের মধ্যে। বিল পাস করার পাঁচ দিনের মধ্যেই ফের গণপ্রহারে মৃত্যু হল এক যুবকের। ঘটনাটি ঘটেছে বহরমপুরের লালদিঘী এলাকাতে। মৃতের নাম কবীর শেখ(২২)। তাঁর বাড়ি মুর্শিদাবাদের সাহাজাদপুর ফুলিয়া এলাকাতে। পেশায় সে রাজমিস্ত্রী। ঘটনাস্থল থেকে জেলা পুলিশ সুপারের বাংলো ১০০ মিটার দুরত্বে হওয়ায় এবার প্রশাসনের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ এলাকার চিকিৎসক ডঃ অমিও ঘটকের চেম্বারের ভিতর ঢুকে ভাঙচুর করা শুরু করে কবীর। সেই সময় বাইরে থাকা মানুষ তাকে টেনে নিয়ে গিয়ে গণধোলাই দেয়। কিছুক্ষণের মধ্যে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বেশ কিছুক্ষণ পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ ওই যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু রাস্তাতেই যুবকের মৃত্যু হয়।
চিকিৎসকের সহকারী মজি বিশ্বাস বলেন, ‘ওই যুবক যখন চেম্বারে আসে, তখন প্রচন্ড ঘামছিল। আমি তাকে পাশের ঘরে বসতে বলি। কিন্তু সে দেখি সামনেই শুইয়ে পড়ে। তারপরেই উঠে গিয়ে ভাঙচুর শুরু করে’।
এদিকে ঘটনার প্রসঙ্গে জেলা মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি কিছু বলতে চাননি। বহরমপুর থানার এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দুই যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।