পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ঘোষপুকুরে

156

ফাঁসিদেওয়া, ৩১ ডিসেম্বরঃ চা বাগান থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের পচাগলা অর্ধেক মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়াল। বৃহস্পতিবার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের ঘোষপুকুর সংলগ্ন বারোপুটিয়া এলাকায় একটি বটলিফ চা বাগান থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার হয়েছে। খবর পেয়ে ঘোষপুকুর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে ফাঁসিদেওয়া থানার ওসি সুজিত দাস এবং নকশালবাড়ি সার্কেল ইন্সপেক্টর সুদীপ্ত সরকার ঘটনাস্থলে পৌঁছান। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত দেড় মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা ওই চা বাগানে এদিন স্থানীয় এক ব্যক্তি শেড গাছ কাটতে যান। সেখানে গিয়ে দুর্গন্ধ অনুভূত করেন। একই ছোট চা বাগনের ভেতর কয়েকটি কুকুর দেখতে পান। চা বাগানের ভেতরে যেতেই পচাগলা মৃতদেহটি দেখতে পান। ভয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ওই ব্যক্তি পালিয়ে যান। খবর চাউর হতেই স্থানীয়রা এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেন। মৃতদেহটির নীচের অংশ ঘটনাস্থলে মেলেনি। মহিলার শরীরের সঙ্গে একটি রশি ছিল। মৃতদেহের পাশে লাল রংয়ের সোয়েটার এবং মহিলার জুতো পাওয়া গিয়েছে। আর তা দেখেই মৃতদেহটি কোনও মহিলার বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

- Advertisement -

ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা খুনের অভিযোগ তুলেছেন। প্রধান সড়কে থেকে কয়েক কিলোমিটার ভেতরে কাঁচা রাস্তা থেকে দু’শো মিটার দূরে চাষের মাঠের মাঠের মধ্যে থাকা ওই চা বাগানে মৃতদেহ কিভাবে এল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রের খবর ওই এলাকায় কোনও মহিলা নিখোঁজ হওয়ার খবর নেই। তবে, কী মহিলাকে খুন করে বন্ধ চা বাগানে ফেলে দেওয়া হল, তা নিয়েই এখন চিন্তায় পুলিশ। নকশালবাড়ি সার্কেল ইন্সপেক্টর জানিয়েছেন, মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। সমস্ত দিক তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ডিএসপি (গ্রামীণ) অচিন্ত্য গুপ্ত জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মৃতদেহটি মহিলার বলে মনে হচ্ছে। তবে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই সমস্ত বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।