অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে দীপক জ্বালালেন চাহার

(শ্রীলঙ্কা: ২৭৫/৯ ভারত: ২৭৭/৭)

কলম্বো : দুরন্ত কামব্যাক।

- Advertisement -

অসম্ভবকে সম্ভব করা। কঠিন পরিস্থিতিতে পালটা মারে সব হিসেবনিকেশ গুলিয়ে দেওয়া। টিম ইন্ডিয়ার নয়া প্রজন্মের যে স্বপ্নের ক্রিকেটে আজ যুক্ত হল আরও একটা পালক।

এদিনের নায়ক দীপক চাহার। বল নয়, ব্যাট হাতে মিরাক্ল ঘটালেন। ১৬০/৬ স্কোরে সূর্যকুমার যাদব (৫৩) সাজঘরে। ক্রুণাল পান্ডিয়া (৩৫) যখন আউট হয়, তখনও দরকার ৮৩ রান। হাতে শেষ তিন উইকেট।

শ্রীলঙ্কার জয় সময়ে অপেক্ষামাত্র। ম্যাচ রিপোর্টে কেউ কেউ হয়তো লিখেও ফেলেছিলেন সিরিজ ১-১, শুক্রবারই ফয়সালা হচ্ছে। এখান থেকে রূপকথার ব্যাটিং চাহারের। গত ৪টি ওডিআইয়ে সর্বসাকুল্যে ১৮ রান করেছেন। আজ সেই দীপক ফিরলেন ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা কামব্যাক-ইনিংসে দলকে জিতিয়ে। শেষ ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জয় উপহার দীপকের।

৮২ বলে অপরাজিত ৬৯। ৭টি চার ও ১টি ছক্কা। চাহারের যে ব্যাটিংয়ের সামনে সব বিশেষনই বোধহয় কম পড়বে। শুরু থেকেই এদিন লঙ্কার ঝাঁঝে বেসামাল ভারতীয় টপঅর্ডার। সূর্যের (৫৩) কিছুটা লড়াইয়ে পর ক্রুণালও (৩৫) আশা দেখান। কিন্তু দুজনকে ঘিরে স্বপ্নভঙ্গের পরও যে ম্যাচ জেতা যাবে কজন ভেবেছিলেন? অবিচ্ছিন্ন অষ্টম উইকেটে ভুবনেশ্বরকে (১৯) সঙ্গী করে ৮৪ রানের যুগলবন্দিতে সেটাই করে দেখালেন চাহার।

এদিন ২৭৬ রানের টার্গেটে শুরু থেকে খেই হারিয়ে ফেলে ভারত। তৃতীয় ওভারে পৃথ্বী (১৩) বধের পর নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে ভারত। ঈশান ফেরেন এক রানে। শিখরের (২৯) জমাট ডিফেন্সও ভাঙেন হাসারাঙ্গা। আম্পায়ার নটআউট দিলেও, ডিআরএসে তা ভুল প্রমাণ করে শ্রীলঙ্কা।

দুর্ভাগ্যের শিকার মণীশ পাণ্ডে। সূর্যকুমারের স্ট্রেট ড্রাইভ বোলার শনাকার হাতে লেগে উইকেট যখন ভাঙে, তখন ক্রিজে বাইরে মণীশ (৩৭)। হার্দিকের (০) আবার প্যাভিলিয়নে ফেরার একটু বেশিই তাড়া ছিল। প্রথম বলে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান। কিন্তু পরের বলে একই ভুল। ১১৬/৫। এরপর ১৯৩/৭। এখান থেকে দীপক-ম্যাজিক। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টানা নবম সিরিজ জয়ের নজির।