আর্মি ক্যান্টিন এবার ‘আত্মনির্ভর’, চিনাদ্রব্যের প্রবেশ নিষেধ

793

নিউজ ডেস্ক: প্যাংগং সীমান্তে চিনের বাড়বাড়ন্ত ভারতের চিন্তা বাড়িয়েছে অনেক আগেই। এরপর থেকেই নানান বিষয়ে সংঘাতে নামে দুই দেশ। সে চিনা অ্যাপের নিষিদ্ধকরণ হোক বা চিনাদ্রব্য বর্জন। চিনের বিরুদ্ধে সরাসরি ঠাণ্ডা লড়াই ঘোষণা করে ভারত।

লাদাখ সীমান্তে চিনের সঙ্গে বিবাদ এবং কুড়ি জন ভারতীয় সেনা শহিদ হওয়ার পর থেকেই চিনকে কোণঠাসা করার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে ভারত সরকার। আর এবার চিনকে শায়েস্তা করতে আরও একটি বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল মোদি সরকার। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের প্রতিটি আর্মি ক্যান্টিনে এবার থেকে চিনা পণ্যের প্রবেশ নিষেধ।

- Advertisement -

জানা গিয়েছে, আর্মি ক্যান্টিনে পাঁচ হাজারের বেশি পণ্য বিক্রি করা হয়। তারমধ্যে ৪০০ টি পণ্য বিদেশী। টয়লেট ব্রাশ, ডায়াপার পেইন্টস, রাইস কুকার, ইলেকট্রিক ক্যাটেল, স্যান্ডউইচ টোস্টার, ভ্যাকিউম ক্লিনার, চশমা, মহিলাদের হ্যান্ড ব্যাগ, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার সমেত বহু পণ্য চিনা সংস্থার। এবার থেকে আর আর্মি ক্যান্টিন সেইসব চিনা সংস্থার প্রস্তুত করা জিনিসপত্র পাওয়া যাবে না। কিছুদিনের মধ্যেই ভারতে উৎপাদিত পণ্য আর্মি ক্যান্টিনে পৌঁছে যাবে। সূত্রের খবর, ক্যান্টিনে এবার থেকে বিদেশী মদও পাওয়া যাবে না। গত কয়েক মাস থেকেই বেশিরভাগ ইউনিট ক্যান্টিনে বিদেশী মদ বিক্রি বন্ধ করেছে।

উল্লেখ্য, দেশের প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই আত্মনির্ভর ভারত যোজনা কথা বলেছিলেন। তাঁর দেখানো সেই পথেই এগোচ্ছে গোটা দেশ। ইতিমধ্যে চিনা সংস্থার মোবাইল ফোনকে টক্কর দিতে সরকারের ভাতা পেয়ে বাজারে নামছে মাইক্রোম্যাক্স। এদিকে জানা যাচ্ছে, আপাতত চিনা দ্রব্য আর্মি ক্যান্টিনে ব্যান করা হলেও ভবিষ্যতে অন্য দেশের পণ্যও হয়তো সেখানে আর পাওয়া যাবে না। উত্তরের সিয়াচেন থেকে দক্ষিণে আন্দামান-নিকোবর পর্যন্ত মোট সাড়ে তিন হাজার আর্মি ক্যান্টিন রয়েছে। প্রতিটি ক্যান্টিনে এবার থেকে চিনা দ্রব্য বিক্রি বন্ধ করল প্রতিরক্ষামন্ত্রক।