আজ জিতলেই কার্যত প্লেঅফে দিল্লি

দুবাই : ২০২০-র আসরে তীরে এসে তরি ডুবেছিল।

ফাইনাল টক্করে মুম্বইয়ে কাছে হার। এবার আর আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে নারাজ দিল্লি ক্যাপিটালস। ঋষভ ব্রিগেডের খেলায় সেই নাছোড় মানসিকতারই প্রতিফলন।

- Advertisement -

৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগের একেবারে মগডালে। আর একটা জয় মানে প্রায় নিশ্চিত প্লেঅফের টিকিট। যে লক্ষ্যকে সঙ্গে নিয়ে আগামীকাল রাজস্থান রয্যালসের বিরুদ্ধে নামছে চলতি লিগের ফাস্টবয়রা।

সঞ্জু স্যামসনের রাজস্থানও ঘুরে দাঁড়ানোর মুডে। পাঞ্জাবকে লাস্ট ওভার-থ্রিলারে হারিয়ে রাজস্থান রয়েছে পাঁচ নম্বরে (৮ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট)। কাল জিতলে প্রথম চারে ঢুকে পড়বে। যশস্বী জয়সোয়াল, লিয়াম লিভিংস্টোন, ক্রিস মরিস, মুস্তাফিজুর রহমানের পাশে গত ম্যাচের নায়ক কার্তিক ত্যাগিকে ঘিরে প্রত্যাশার ফানুশও উর্ধ্বমুখী।

চর্চায় এনরিক নর্তজেও। হায়দরাবাদ ম্যাচে প্রোটিয়া পেসারের গতি চমকে দিয়েছে (৪ ওভারে ১২ রান দিয়ে ২ উইকেট)। টানা ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করছেন। নর্তজের অবিশ্বাস্য গতি নিশ্চিতভাবে কাঁটা সঞ্জুদের জন্য। রাবাদা, অশ্বীন, অক্ষররাও রয়েছেন। তবে পন্টিংদের অস্বস্তিতে রাখছে ডেথওভার বোলিং। শুরু এবং মাঝ ওভারে রাবাদাকে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রভাব পড়ছে শেষদিকে। কাল মরিসের জন্য রাবাদাকে তুলে রাখা হতে পারে।

গত ম্যাচে প্রত্যাবর্তনেই ৪৭ রান করেন দিল্লির শ্রেয়স। শিখর ধাওয়ান, পৃথ্বী শ, ঋষভরাও ছন্দে। তবে চিন্তায় রাখছে মার্কাস স্টোয়নিসের ফিটনেস। অজি অলরাউন্ডারের কাফ মাসলের হাল কাল কী থাকবে, তার ওপর টিম কম্বিনেশন অনেকাংশে নির্ভর করবে। স্টোয়নিসকে না পাওয়া গেলে প্রথম এগারোয় সম্ভবত স্টিভ স্মিথ।

রাজস্থানের জন্য এক্সফ্যাক্টর স্যামসনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে মরিসের অলরাউন্ড দক্ষতা। টানা পাঁচ ম্যাচে দিল্লির কাছে হারের পর প্রথমপর্বে জয় পেয়েছিল তারা। নায়ক ক্রিস মরিস। লিগের সবচেয়ে দামী ক্রিকেট কালও তার মূল্য বোঝানোর তাগিদ নিয়ে নামবেন। যা অনেক অঙ্ক বদলে দিলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।