দিল্লি-দাপটে ব্যর্থ সঞ্জুর লড়াই

আবু ধাবি : সঞ্জু স্যামসনের লড়াই ব্যর্থ করে কার্যত প্লেঅফে দিল্লি ক্যাপিটালস। দুরন্ত বোলিং এবং শ্রেয়স আইয়ারদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের যোগফল ৩৩ রানে জয়। ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট, যার সুবাদে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করে নিল লিগ টেবিলের ফার্স্টবয়রা।

প্রথমে ব্যাটিং করে ১৫৪ করে দিল্লি। টার্গেটটা আহামরি ছিল না। যদিও অধিনায়ক সঞ্জু পাশে পাননি কোনো সতীর্থকেই। লো স্কোরিং ম্যাচে ৫৩ বলে ঝলমলে ৭০ করার পরও হারের হতাশা নিয়ে ফিরতে হয় তাঁকে।

- Advertisement -

ম্যাচে হট ফেভারিট ছিল ঋষভ ব্রিগেডই। ফলাফলেও অন্যথা হয়নি। অথচ, শুরুতে রাশ ছিল রাজস্থানের হাতেই। ২১ রানে শিখর ধাওয়ান (৮), পৃথ্বী শা (১০) ডাগআউটে। মুস্তাফিজুর রহমান (২/২৬), চেতন সাকারিয়াদের (২/৩৩) নিয়ন্ত্রিত বোলিং বাকি সময়ে রানের গতি বাড়াতে দেয়নি।

ঋষভকে (২৪) নিয়ে ৬২ রানের জুটিতে ধাক্কা সামলান শ্রেয়স (৪৩)। গত ম্যাচেও উইনিং ইনিংস খেলেছিলেন। এদিনও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে লড়াইয়ে রসদ জোগালেন। ম্যাচের সেরার পুরস্কারও তাঁর হাতে। হেটমেয়ার শেষদিকে ২৮ রান করেন। পরে শ্রেয়স বলেন, পিচ বুঝে শট খেলেছি। ঋষভের সঙ্গে আমার বোঝাপড়া বরাবরই ভালো। এদিনও জুটিটা উপভোগ করেছি।

রাজস্থান ইনিংসে সঞ্জু বনাম দিল্লি বোলারদের ডুয়েল। রাবাদা (১/২৬), নর্তজের (২/১৮) গতি আর অশ্বীন-অক্ষরের স্পিনের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি আর কোনও রাজস্থান ব্যাটসম্যান। লিভিংস্টোন (১), যশস্বী (৫), মিলার (৭), রিয়ান (২)ব্যর্থতার লম্বা তালিকা। সঞ্জু ছাড়া দুই অঙ্কে শুধু মহিপাল লোমরোর (১৯)।

রাজস্থানের গোটা ইনিংসে ৮টি বাউন্ডারি, সবকটিই সঞ্জুর ব্যাট থেকে। ৫৩ বলে সঞ্জু যেখানে ৭০ করেছেন, সেখানে বাকিরা ৭৩ বলে ৪৫! এরপর রাজস্থান ম্যাচ জিতবে ভাবাটা বাড়াবাড়ি। রাজস্থান-অধিনায়কের গলাতে সেই আক্ষেপ, টার্গেটটা নাগালের মধ্যেই আছে ভেবেছিলাম। কিন্তু পরপর উইকেট হারিয়ে মোমেন্টামটাই নষ্ট হয়ে যায়।