নয়াদিল্লি, ২৭ ফেব্রুয়ারিঃ দিল্লিতে গোষ্ঠী সংঘর্ষের জন্য পুলিশকে তীব্র তিরস্কার করেছিলেন। তিন বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছিলেন।  আর রাতের মধ্যেই দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি এস মুরলীধরকে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে বদলি করে দেওয়া হল। রাতেই এই নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তবে মুরলীধরকে বদলির ব্যাপারে বিচারপতি নিয়োগের কলেজিয়ামের সিদ্ধান্ত আগেই হয়েছিল। তবে যেভাবে রাতেই রাষ্ট্রপতি তাঁকে বদলির নির্দেশে সই করেছেন, তাতে দুটি ঘটনাকে জুড়ে দেখতে শুরু করেছেন অনেকে। বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র, প্রকাশ ভর্মা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের বিরুদ্ধে এফআইআর করার ব্যাপারে বুধবার নির্দেশ দেন বিচারপতি এস মুরলীধর ও বিচারপতি তালওয়ান্ত সিংকে নিয়ে গঠিত দিল্লি হাইকোর্টের বেঞ্চ। তাঁরা এও জানিয়ে দেন, বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটের মধ্যে এই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত কলেজিয়াম এস মুরলীধরকে বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের পর দিল্লি হাইকোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা তীব্র আপত্তি করেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, মুরলীধর একজন নিষ্ঠাবান বিচারপতি। তাঁকে কোনও কারণ ছাড়া যেভাবে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে বদলি করার চেষ্টা হচ্ছে তাতে বিচারব্যবস্থার মধ্যে নেতিবাচক বার্তা যাবে। এমনকী বৃহস্পতিবার থেকে কর্মবিরতি পালনের হুমকিও দিয়েছিলেন বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। কিন্তু তার পরেও কলেজিয়ামের সেই সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রপতি শিলমোহর দেন।

মুরলীধরের রুটিন বদলিকে নিয়ে কংগ্রেস রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ করে বৃহস্পতিবার একের পর এক ট্যুইট করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। তিনি লেখেন, ‘১২.ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের প্রস্তাবের ভিত্তিতেই বিচারপতি মুরলীধরের বদলি করা হয়েছে। বদলির সময় বিচারপতির সম্মতিও গ্রহণ করা হয়েছে। যথাযথ নিয়ম মেনেই এই বদলি হয়েছে।’