ট্যাপ থাকলেও জল মিলছে না

512

মনজুর আলম, চোপড়া: দাসপাড়া ও ঘিরনিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পানীয় জল পরিষেবার দাবি জোরালো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় পরিকাঠামো থাকলেও তাঁরা জল পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাড়ির সামনে পিএইচইর পানীয় জলের ট্যাপ রয়েছে। অথচ সেখান থেকে জল মিলছে না। প্রায় দুই দশক আগে দাসপাড়ার জিভাকাটা মৌজার শেখবস্তি ও ঘিরনিগাঁওয়ে আসারুবস্তি এলাকায় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের পিএইচইর জলপ্রকল্প চালু হয়। তারপরও পানীয় জলের পরিষেবা ঘিরে এই দুই এলাকায় বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় দুই গ্রাম পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, সমস্যার কথা প্রশাসনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বহুবার জানানো হয়েছে। দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়ে প্রধান দুলাল মণ্ডল বলেন, এলাকার পিএইচইর জলপ্রকল্পের সমস্যা নিয়ে বারবার জানিয়ে লাভ হচ্ছে না। এখানে পানীয় জল পরিষেবার জন্য দ্রুত পাইপলাইনের সংস্কার করা জরুরি। অধিকাংশ জায়গায় পাইপলাইন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পাইপ ফেটে জল বেরিয়ে য়াচ্ছে। ফলে সাধারণ মানষু পানীয় জল পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

- Advertisement -

তিনি জানান, পাইপলাইন সংস্কারের ব্যাপারে দপ্তর থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হলেও কাজ হচ্ছে না। প্রথমদিকে স্থানীয় শেখবস্তি, কলুাগাঁও ও দাসপাড়া বাজার এলাকায় মানষু পানীয় জলের পরিষেবা পেলেও এখন অধিকাংশ মানষু তা পাচ্ছেন না। দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা পেশায় স্কুল শিক্ষক রৌশন আলম ও রিয়াজুল ইসলাম জানান, এই পরিস্থিতিতে যাঁদের সামর্থ রয়েছে তাঁরা পানীয় জলের জার কিনে আনছেন। অন্যদিকে, ঘিরনিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েছের আসারুবস্তি এলাকায় পিএইচইর জলপ্রকল্প দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি সেখানে সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের ইসলামপুরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার বিশ্বজি৻ দাস জানান, আসারুবস্তি এলাকায় এর আগে জলপ্রকল্পের বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরি যাওয়ায় পরিষেবায় সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া, দাসপাড়া এলাকার জিভাকাটা মৌজার জলপ্রকল্পে কাজের টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডার হয়ে গিয়েছে। সেখানে শীঘ্রই কাজ শুরু করা হবে। তিনি বলেন, দাসপাড়া এলাকায় প্রায় সাত-আট কিলোমিটারজুড়ে পাইপলাইনের কাজ হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে কাজ ও পরিষেবা চালুর ব্যাপারে প্রযোজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।