অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় সংগ্রহশালাকে পর্যটনের কেন্দ্র করার দাবি

129

শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় মিউজিয়ামকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরার দাবি ক্রমশই জোরালো হচ্ছে। সোমবার প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক বিভিন্ন সামগ্রীর প্রদর্শনী এবং উত্তর দিনাজপুরের ইতিহাস নিয়ে ডঃ বৃন্দাবন ঘোষের লেখা বই উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে এই দাবি আরও একবার উঠে এল। সোমবার মিউজিয়ামের তরফে ‘প্রত্নতাত্ত্বিক বিভিন্ন সামগ্রী প্রদর্শনী এবং উত্তর দিনাজপুরের পুরাকৃতি’ বইটির উদ্বোধন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডঃ দিলীপকুমার সরকার, প্রাক্তন অধ্যাপক ডঃ আনন্দ গোপাল ঘোষ, ডঃ বৃন্দাবন ঘোষ, মিউজিয়ামের ডিরেক্টর ডঃ সুদাশ লামা, পর্যটন ব্যবসায়ী সম্রাট সান্যাল সহ অধ্যাপক ও ছাত্রছাত্রীরা।

এদিন অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় হেরিটেজ মিউজিয়াম কমিটির তরফে একটি ক্যালেন্ডার প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রাচীন মূর্তি, আদিম যুগে মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন পাথর, সিন্ধু সভ্যতার সমসাময়িক পোড়া মাটির ইট সহ বিভিন্ন সামগ্রীর প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়।

- Advertisement -

উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডঃ দিলীপকুমার সরকার বলেন, ‘বৃন্দাবনবাবু তাঁর লেখার মধ্যে দিয়ে এই অঞ্চলের ইতিহাস তুলে ধরেছেন। দীর্ঘিদন যাবৎ এই বইটি ছাপানো সম্ভব হযনি। এই অঞ্চলের ইতিহাস মানুষের সামনে উঠে আসুক সেজন্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।’ এ বিষয়ে মিউজিযাম কিউরেটর ডঃ মলয় সাহা বলেন, ‘আরও অনেক মানুষ এখানে এসে এই অঞ্চলের ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত হোক সেটাই আমরা চাই। প্রচুর প্রাচীন সামগ্রী মিউজিয়ামের হাতে রয়েছে। তবে জায়গার অভাবে সেই জিনিসগুলিকে আমরা প্রদর্শন করতে পারছি না। এখানে যাতে নতুন একটি ভবন গড়ে তোলা হয় সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয কর্তৃপক্ষকে প্রস্তাব দেওযা হয়েছে।’

পর্যটন ব্যবসায়ী সম্রাট সান্যাল বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের পর্যটন পুরোটাই প্রকৃতি নির্ভর হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই অঞ্চলের প্রাচীন সংস্কৃতি, মানব সভ্যতার অনেক ইতিহাস রয়েছে। সেই সবকে নিযে পর্যটকদের সামনে তুলে ধরলে নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। এর জন্য সকলের সম্মিলত প্রচেষ্টা বিশেষ জরুরি।’