সুপারিনটেন্ডেন্ট নিয়োগের দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ এলাকাবাসী

307

সামসী: মালদা জেলার রতুয়া-১ ব্লকের অন্যতম একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল বাটনা জেএমও সিনিয়র মাদ্রাসা। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম শ্রেণি থেকে এমএ অবধি পড়াশুনা করা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬১ সালে স্থাপিত হয়। এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ২১ বছর ধরে সুপারিনটেন্ডেন্ট পোস্টটি খালি পড়ে রয়েছে। অর্থাৎ ২০০০ সালে আব্দুল হক সুপারিনটেন্ডেন্ট মারা যান। তারপর থেকে আজও পদটি শুন্য। এলাকার বাসিন্দা বৃহস্পতিবার সুপারিনটেন্ডেন্ট নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপারে শাসকদলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বকশি, এলাকার জেলা পরিষদ সদস্য হুমায়ুন কবির বাজনাকেও লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

বাটনা জেএমও সিনিয়র মাদ্রাসার সুপারিনটেন্ডেন্ট পদটি কেন এতদিন ধরে খালি পড়ে রয়েছে এব্যাপারে এলাকার বাসিন্দারা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার গিয়েও কোনও সদুত্তর মেলেনি। এলাকার বাসিন্দা জাহিরুদ্দিন, মেসের আলি, কামরুজ্জামান প্রমুখ শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরা এদিন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক ও জেলা শাসককে জানান, বর্তমান মাদ্রাসা পরিচালন সমিতি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মাদ্রাসার সুপারিনটেন্ডেন্ট পদটি মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনে জমা করছেন না। অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি চরম হুমকি দিয়ে তাঁরা জানান, আগামী তিনদিন সময় সীমা বেঁধে দিলাম। এই তিনদিন সময়ের মধ্যে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের মাধ্যমে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনে সুপারিনটেন্ডেন্ট সংক্রান্ত কাগজপত্র মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জমা না করলে এলাকা জুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

- Advertisement -

বাটনা জেএমও সিনিয়র মাদ্রাসার বর্তমান পরিচালন সমিতির সম্পাদক রফিকুল আলম সাফ বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সুপারিনটেন্ডেন্ট পোস্টটি জমা করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি। কিন্তু মাদ্রাসার অফিসে সুপারিনটেন্ডেন্ট সংক্রান্ত ফাইলটির কোনও হদিস মিলছে না। তিনি এরজন্য বিগত দিনের পরিচালন সমিতির কর্মকর্তাদের দায়ী করেছেন।’

জেলা শাসক রাজর্সি মিত্র জানান, বিষয়টি শিক্ষা দপ্তরের দেখার কথা। তবুও তিনি বাসিন্দাদের দাবি মোতাবেক বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শককে বার বার ফোন করেও তিনি কল রিসিভ না করায় এব্যাপারে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।