রাজ্য জুড়ে দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগুর দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে

158
সংগৃহীত

উত্তরবঙ্গ ব্যুরো: একুশের নির্বাচন বাংলার রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক নির্বাচন। নির্বাচনের আগে থেকেই তৃণমূল থেকে একের পর এক নেতার বিজেপিতে যোগদান শুরু হয়েছিল। আর তার সঙ্গেই শুরু হয়েছিল তৃণমূল বিজেপি পারস্পরিক বিষোদগার। তা অবশ্য এখনও চলছে। কিন্তু এখন শুরু হয়েছে ঘরে ফেরার পালা। আর তাই রাজ্যে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা৷

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কাছের বহু নেতা যোগ দিয়েছিল গেরুয়া শিবিরে। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বাংলার রাজনীতির ‘চাণক্য’ বলে পরিচিত মুকুল রায়, রাজীব বন্দোপাধ্যায় সহ রাজ্যের বর্তমান বিরোধী দলনেতা। তবে নির্বাচন সম্পন্ন হতেই মোহভঙ্গ হয়েছে মুকুলের। ফিরে এসেছেন দিদির ছত্রছায়ায়। অন্যদিকে ফেরার চেষ্টা করছেন বাকি দলবদলুরাও। এই পরিস্থিতিতে দলত্যাগ বিরোধী আইন রাজ্যে লাগু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু।
অন্যদিকে শিশির অধিকারী এবং সুনীল মণ্ডলের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন করেছে তৃণমূল। এই বিষয়েই ওম বিড়লার সঙ্গে ফোনে একাধিকবার কথা বলেছেন লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপ বন্দ্য়োপাধ্যায়। এর আগেও এই বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। নির্বাচনের প্রাক-মুহুর্তে শিশির এবং সুনীলও পদ্ম শিবিরে ঘেঁষেছিলেন। শুভেন্দুর হুঁশিয়ারির পর এঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি আরও জড়ালো হয়েছে। রাজ্যে বিরোধী শিবিরের উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্যই এই আবেদনের দাবি জোড়ালো হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজ্যের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

- Advertisement -