বাম-কং ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল

99

গাজোল: গত ১১ ফেব্রুয়ারি নবান্ন অভিযানে গিয়ে জখম হওয়ার পর মৃত্যু হয় বাম-যুবকর্মী মইদুল ইসলাম মিদ্দার। বাম সহ কংগ্রেসের দাবি, নবান্ন অভিযানে গিয়ে পুলিশের লাঠির মারে মৃত্যু হয়েছে মইদুলের। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সোমবার মারা যান তিনি। ঘটনার পর থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বাম এবং কংগ্রেসের ছাত্র-যুব সংগঠন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজ্য জুড়ে থানায় থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয় দুই দলের ছাত্র-যুবরা। তারই অঙ্গ হিসেবে বুধবার বিকেলে গাজোল থানায় বিক্ষোভ দেখায় বাম এবং কংগ্রেসের ছাত্র যুব সংগঠন। পরে দুই সংগঠনের নেতৃত্ব গাজোল থানার আইসির সাথে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দেয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের পক্ষ থেকে জিসান, বিকাশ সাহা, কংগ্রেসের প্রেম চৌধুরী ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি, ‘কলকাতায় তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলের উপর পুলিশ বর্বরভাবে লাঠি চালিয়েছে এবং লাঠির ঘায়ে একজন যুবকর্মীর মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছে একজন। আমরা জানি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুলিশ এই কাজ করেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে নবান্নের ১৪ তলা থেকে টেনে নামানোর জন্য রাজ্যজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। এদিন তারই অঙ্গ হিসেবে গাজোল থানায় বিক্ষোভ মিছিল করে আমরা ডেপুটেশন জমা দিলাম। আগামীকাল সংগঠনের পক্ষ থেকে রেল রোকো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।’

- Advertisement -

মালদা জেলা পিএসইউ সংগঠনের জেলা সভাপতি বিকাশ সাহা জানান, গত সোমবার বাম সংগঠনের যুব ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা নবান্ন অভিযানে যাওয়ার পথে পুলিশের লাঠিচার্জে গুরুতর আহত হয়েছিলেন একাধিক বাম যুব কর্মীরা। পুলিশের লাঠিচার্জে গুরুতর আহত হয়েছিলেন বাম যুব কর্মী মইদুল ইসলাম। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে কলকাতা একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছিল। গত সোমবার তিনি মারা যান। তাঁদের দাবি, পুলিশের লাঠিচার্জে গুরুতর আহত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। এরই প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে বাম ছাত্র সংগঠন ও যুব সংগঠনের কর্মীরা প্রতিবাদ জানাচ্ছে। রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মতো গাজোলে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বাম সংগঠন ও কংগ্রেস সংগঠনের কর্মীরা রাস্তায় ধিক্কার মিছিল করে গাজোল থানার সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়। আইসি পূর্ণেন্দুবাবুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হয়। তাদের সমস্ত দাবি শুনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলে জানান গাজোল থানার আইসি। তবে, গাজোল থানার আইসি সঙ্গে বেশ কয়েকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।