শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ উন্নয়নমূলক কাজ, ক্ষোভ স্থানীয়দের

169

সামসী: রতুয়া-১ ব্লকের সামসী পঞ্চায়েত শাসকদলের দখলে। কিন্তু শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ চরমে। ইতিমধ্যেই শাসকদলের এক গোষ্ঠী প্রধানকে সরানোর জন্য অনাস্থা ডেকেছেন। যদিও করোনা আবহের জন্য তলবি সভার দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদের দরুন দীর্ঘ সাত মাস ধরে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজকাম বন্ধ রয়েছে সামসীতে। যার দরুন ক্ষোভে ফুঁসছেন সামসী অঞ্চলবাসী।

এদিকে, প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,সামসী পঞ্চায়েতে গত বছরের নভেম্বর মাসের পর কোনও উন্নয়নমূলক কাজকর্ম রূপায়িত হয়নি। সামসী অঞ্চলের প্রধান শ্রবণকুমার দাস ও তার বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর সদস্যদের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নভেম্বর মাসেই কিছু উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত করা হয়েছিল। তারপর থেকে টানা সাত মাস বন্ধ রয়েছে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজকর্ম।

- Advertisement -

তবে দীর্ঘ সাত মাস পর পঞ্চায়েতের থমকে যাওয়া কাজকর্ম পুনরায় চালু করার জন্য প্রধানের তরফে মঙ্গলবার পঞ্চায়েতে একটি সাধারণ মিটিং ডাকা হয়। কিন্তু ওই মিটিংয়ে বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর কোন সদস্যই হাজির হননি। আটজন সদস্যকে নিয়ে মিটিং পরিচালনা করতে হয় প্রধানকে। যদিও এদিনের প্রধানের ডাকা মিটিংকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে সামসী পঞ্চায়েতের এক সদস্য নবকুমার মন্ডল জানান,পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ এনে অনাস্থা  জ্ঞাপন করেছি। অনাস্থার দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করেননি প্রশাসন। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখতে রতুয়া-১ বিডিওকে অনুরোধ করেছি। যাতে অবৈধভাবে ডাকা মিটিংকে বাতিল করা হয়। যদিও পঞ্চায়েত প্রধান শ্রবণকুমার দাস নিজের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এব্যাপারে রতুয়া-১ ব্লকের বিডিও সারওয়ার আলি জানান, এদিন সামসী পঞ্চায়েতে একটি মিটিং ছিল জানি। তবে মিটিং হয়েছে না বাতিল হয়েছে তা প্রধানের কাছে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত জানবেন। তিনি আরও জানান,শুধু সামসী নয়, ব্লকের একাধিক পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ডাকা হয়েছে। পঞ্চায়েত আইন মেনে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানান বিডিও সারওয়ার আলি।